আরও পড়ুনঃ আবার বাংলায় লকডাউন! নবান্ন থেকে জারি হল একগুচ্ছ নির্দেশিকা
জানা গেছে, বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। এরপর যথারীতি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী করোনা পরীক্ষা করান তিনি। তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই ক্রমে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।
![]()
বর্তমান সময়ে অক্সিজেন, হাসপাতালের বেড, ওষুধ সবকিছুই অমিল। বৃহস্পতিবার গোটা দিন এই তৃণমূল বিধায়কের জন্য একটি বেডের ব্যবস্থা করতে পারেনি তাঁর পরিবার। সোমবার রাতে শেষমেশ বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। কিন্তু বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শুক্রবার হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর।
আরও পড়ুনঃ ভারতে ভয়ঙ্কর করোনা! সুস্থ থাকতে, ইমিউনিটি বাড়াতে খান ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার, দেখে নিন তালিকা
চলতি হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে অবশ্য টিকিট পাননি তিনি। বার্ধক্যজনিত কারণেই তাঁকে আর ভোটে দাঁড় করানো হয়নি বলে জানিয়েছিল দল। যথারীতি এই ঘটনার পর দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় তাঁর। সূত্রের খবর, এরপরেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়।





