Legal Notice to Mamata Banerjee: তৃণমূলের বিরুদ্ধে কথা বলার অভিযোগ তুলে ভারত সেবাশ্রম সংঘের মহারাজকে কটাক্ষ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেই প্রেক্ষিতে তাঁকে পাল্টা তোপ দেগেছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রধান কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। এবার মমতাকে (Mamata Banerjee) আইনি নোটিশও ধরালেন তিনি (Legal Notice to Mamata Banerjee)। মমতার মন্তব্যে ভারত সেবাশ্রম সংঘের সম্মানহানি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হল মুখ্যমন্ত্রীকে (Legal Notice to Mamata Banerjee)।
এক নির্বাচনী সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) রামকৃষ্ণ মিশন ও ভারত সেবাশ্রম সংঘের সাধুদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে রাজনীতির যোগ রয়েছে বলে দাবী করেছিলেন। কার্তিক মহারাজের (Kartik Maharaj) অভিযোগ, এমন মন্তব্যে ভারত সেবাশ্রম সংঘের সম্মানহানি হয়েছে। সেই কারণেই এই আইনি নোটিশ মমতাকে (Legal Notice to Mamata Banerjee)। জানা গিয়েছে, এই আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যদি আগামী ৪ দিনের মধ্যে নিজের মন্তব্যের কারণে ক্ষমা না চান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।
কী বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)?
গত শনিবার গোঘাটে এক নির্বাচনী জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) রামকৃষ্ণ মিশন ও ভারত সেবাশ্রম সংঘের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেছিলেন, এই দুই সংঘের সাধুদের কেউ কেউ সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত (Legal Notice to Mamata Banerjee)।
মমতার (Mamata Banerjee) কথায়, “সব সাধু এক হন না। সব স্বজন সমান হয় না। আমাদের মধ্যেও কি আমরা সবাই সমান? এই যে বহরমপুরের একজন মহারাজ আছেন। আমি শুনেছি অনেক দিন ধরে… কার্তিক মহারাজ। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। আমার শ্রদ্ধার তালিকায় তারা দীর্ঘদিন ধরেই আছেন। কিন্তু যে লোকটা বলে, তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্ট বসতে দেব না… সেই লোকটাকে আমি সাধু বলে মনে করি না। তার কারণ, সে সরাসরি রাজনীতি করে দেশটার সর্বনাশ করছে”।
এখানেই শেষ নয়। মমতা (Mamata Banerjee) আরও বলেছিলেন, “কে কে এই সব করছে, আমি তাদের চিহ্নিত করছি। আমি রামকৃষ্ণ মিশকে কোন সাহায্যটা করিনি। সিপিএম যখন খাবার বন্ধ করে দিয়েছিল, তখন আমি সমর্থন করেছিলাম আপনাদের। সিপিএম কিন্তু তখন আপনাদের কাজ করতে দেয়নি। আর আসানসোলে একটি রামকৃষ্ণ মিশন আছে… দিল্লি থেকে নির্দেশ আসে। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য বলা হয়। কেন সাধুরা এই কাজ করবেন? রামকৃষ্ণ মিশনকে সবাই সম্মান করে। ওদের যারা মেম্বার হয়, দীক্ষা নেয়, তারা আছে। তাদের আমি ভালবাসতে পারি। আমি দীক্ষা নিতে পারি। কিন্তু রামকৃষ্ণ মিশন ভোট দেয় না কোনও দিনও। এটা আমি জানি। তা হলে আমি অন্যকে কেন ভোট দিতে বলব? মনে রাখবেন, স্বামী বিবেকানন্দের বাড়িটাই থাকত না, আপনাদের এই মেয়েটা যদি না থাকত”।
মমতার এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj) বলেছিলেন, “আমি কোথাও এরকম কোনও কথা বলিনি যে তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না। মুখ্যমন্ত্রী কার কাছে এসব শুনেছেন আমি জানি না। আমি তো রাজনীতির লোকই নই। আর্তের সেবা করা আমার কাজ। কিন্তু আমি একজন হিন্দু। আর হিন্দুদের ওপর আক্রমণ এলে আমি চুপ করে বসে থাকতে পারি না। রেজিনগরে ওনার দলের বিধায়ক যখন বললেন ২ ঘণ্টার মধ্যে হিন্দুদের ভাগিরথীতে ভাসিয়ে দেব তখন উনি কোনও প্রতিবাদ করেননি কেন? ঈশ্বর ওনাকে চৈতন্য দিন” (Legal Notice to Mamata Banerjee)।





