দুই পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ। অভিযোগ দায়ের করা হলো বীরভূম জেলা পুলিশ সুপারের কাছে। ভারতী দাবী করেছেন তার রোড শো-তে যারা হামলা চালিয়েছে সেই দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে।
এর পাশাপাশি তিনি এই অভিযোগও তুলেছেন যে, পুলিশ এক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। তাই সংশ্লিষ্ট দুই পুলিশ আধিকারিককেও শাস্তি দিতে হবে। তাঁর আরও দাবী, মাড়গ্রাম এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষের মন থেকে আতঙ্ক দূর হয়।
আরও পড়ুন-“যেনতেন প্রকারেণ বাংলা দখল করতে হবে! তার পরই লকডাউন করবে ওঁরা”, কেন্দ্রকে বিঁধে দাবি অভিষেকের
সাংবাদিক সম্মেলনে ভারতী ঘোষ বলেন, “বীরভূম জেলার নতুন পুলিশ সুপারের উপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা ওই দুই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে এবং যারা আক্রমণ করেছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশ সুপার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে আমার বিশ্বাস”। তাঁর অভিযোগ, “তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে এখনকার পুলিশ অবৈধভাবে টাকা রোজগার করেছে। এখন তৃণমূলের হয়ে কাজ করে তার ঋণ শোধ করছে”।
ঠিক কী ঘটেছিল? গতকাল বীরভূমের হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের মাড়গ্রাম এলাকায় হাঁসন কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করছিলেন দলের রাজ্য সহ-সভানেত্রী ভারতী ঘোষ। হাতিবাঁধা মোড় থেকে ধুলফেলা মোড় পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল এই রোড শো। কিন্তু ধুলফেলা মোড়ে পৌঁছতেই স্থানীয় তৃণমূলের কার্যালয় থেকে কিছু লোকজন বেরিয়ে ভারতী ঘোষের রোড শো-য়ের উপর চড়াও হয়।
প্রথমে ভারতী ঘোষকে কালো পতাকা দেখানো হয়, সেইসঙ্গে ওঠে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান। তারপর বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর চড়াও হয় তারা, এমনটাই গেরুয়া শিবিরে অভিযোগ। এমনকী, যাদের কাছে বিজেপির পতাকা ছিল, এমন লোককে খুঁজে খুঁজে হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। একাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন।
বিজেপি নেত্রীর অভিযোগ, মাড়গ্রাম থানার ওসই প্রদীপ ঘোষের মদতে এই হামলা চলেছে। পুলিশের সামনেই কিছু লুঙ্গি পরা লোক হামলা করেছে বলে জানান তিনি। হামলার সময় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশকেই এই ঘটনায় দোষী ঠাওরেছেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার।





