গতকাল কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর পর এবার করোনা ইস্যু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মেদিনীপুরের সাংসদ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি ও তাঁর দলের লোকজন পোস্ট করবেই। ক্ষমতা যদি থাকে তাহলে আটকে দেখাক মুখ্যমন্ত্রী। বুধবারই নবান্নে করোনা নিয়ে বিজেপিকে রাজনীতি না করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মমতা। যার প্রেক্ষিতে এই কথা বলেছেন দিলীপ ঘোষ।
রাজ্যে করোনা নিয়ে একের পর এক ভিডিয়ো প্রকাশ পাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে সরকার সব ভিডিয়োতেই কমবেশি স্পষ্ট হয়েছে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতার খতিয়ান। বুধবার যা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে তিনি বলেন, যতদিন করোনা পরিস্থিতি চলবে, ততদিন রাজনীতি করা ঠিক নয়। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও আপলোড করা হচ্ছে। সেই ভিডিওগুলির সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা।যে কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রী কে পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করব। হিম্মত থাকলে মুখ্যমন্ত্রী আটকাবেন। এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি বিজেপির রাজ্য প্রধান। তাঁর দাবি, একদিকে মুখ্যমন্ত্রী এই পরিস্থিতিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে বলছেন আবার অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক বা মন্ত্রীরা ত্রাণ বিতরণ করতে গেলেই তাঁদেরকে পুলিশ দিয়ে আটকাচ্ছেন।
বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বিজেপির নেতারা ঘরে থেকেই রাজ্য সরকারকে অপদস্থ করে চলেছেন। কেউ রাস্তায় বেরিয়ে মানুষের পাশে থাকছেন না বলেও অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এখানেই অবশ্য থামেনি দিলীপ ঘোষের বাক্যবাণ। বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন ‘টিকিয়াপাড়ায় একরকম আত্মসমর্পণ করেছিল পুলিশ। পুলিশকে সেখান থেকে লেজ গুটিয়ে দৌড়োতে হয়েছে আর সেটা কার জন্য হয়েছে সেটাও রাজ্যবাসী ভালোভাবেই জেনে গেছে। সেই সঙ্গে বাদুড়িয়ায় হওয়া ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন বাদুড়িয়ায় ন্যায্য রেশনের দাবি তোলায় সাধারণ মানুষকে পিটিয়েছে পুলিশ। একই রাজ্যে পুলিশের বিভিন্ন রূপ।’





