আরও পড়ুন-রাজীবের পর প্রবীর! “মধুচক্রের নায়ক, গদ্দার প্রবীর ঘোষালকে দলে ফেরানো যাবে না!” পড়ল পোস্টার
সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো সরব হলেন রাজ্যসভার সাংসদ। টুইটার এবং ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘রাজনীতিকে গ্ল্যামারাইজ করে লাভ নেই। অনেক রক্ত ঝরলেও কেউ পাশে থাকে না।’ আর এই পোস্ট ঘিরেই এবার চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিজেপি শিবিরে! তবে কি তলে তলে ঘর পাল্টাচ্ছেন রূপাও? আশঙ্কায় নেতৃত্ব।
তবে সদ্যসমাপ্ত হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে অ্যাক্টিভ পলিটিক্সে সেই অর্থে দেখা যায়নি চিরকালীন দ্রৌপদীকে! বিধানসভা নির্বাচনের উত্তেজনার মাঝেই রাকেশ সিং-পামেলা মাদক কাণ্ডে বিজেপি নেতৃত্বকে অস্বস্তিতে ফেলে তিনি বলেছিলেন, পুলিশ যা করেছে, ঠিক করেছে। এবার ফের একবার দলকে অস্বস্তিতে ফেলে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট রূপার।
আরও পড়ুন- আগামী পাঁচ বছর তৃণমূলের সঙ্গেই থাকছে আইপ্যাক, তবে প্রশান্ত কিশোর কী থাকবেন? উঠছে প্রশ্ন
আর এই পোস্ট এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে যে বেশ ইঙ্গিতবাহী তা বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাই। বহুদিন ধরেই বিজেপিতে রয়েছেন রূপা। বাংলায় বিজেপিকে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান রয়েছে। তবে এই মুহূর্তে ছবিটা কিছুটা ভিন্ন। তৃণমূল ত্যাগীরাই এখন শাসন করছে বিজেপি। বিজেপির আদি নেতারা উপেক্ষিত। সেই ক্ষোভই কী কাজ করছে রূপার মধ্যে? আর সোশ্যাল মিডিয়া পোষ্টের মাধ্যমে তারই কী বহিঃপ্রকাশ ঘটলো?





