শান্তিনিকেতনে বিশৃঙ্খলা ঘটিয়েছেন পিকে এবং দিদির ভাইপো কোম্পানি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এইভাবেই কটাক্ষবাণে বিঁধলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি আরো বলেছেন যে, তৃণমূল এখন প্রোপাইটরশিপ খুলেছে আর তার মালিক হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমডি হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কোম্পানির নতুন ডিরেক্টর হয়েছেন পিকে।
ইতি সৌমিত্র খাঁ মূলত তুলোধোনা করেন প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর টিম কে যারা তৃণমূলের পলিটিকাল স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে কাজ করছে রাজ্যে। তাঁর বক্তব্য, এই টিমের বেশকিছু সদস্য পয়সা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য মানুষকে রীতিমতো জোরজবরদস্তি করছেন, প্রলোভন দেখাচ্ছেন। পদ পাওয়ানোর জন্য পয়সা দেওয়ার লোভ দেখানো হচ্ছে। তাঁর সাফ কথা, বাংলার মানুষ পিকে বাহিনীকে ভয় পায় না। বাংলার মানুষ বিক্রি হয় না। পুরনো যে তৃণমূল কর্মীরা সম্মান পেতেন তাঁরা আজ নিজের দলের ব্রাত্য।
“শান্তিনিকেতনে পাঁচিল ও গেট ভাঙ্গার জন্য দায়ী তৃণমূল কারণ এই কাজটা তারা করেছিল জমি দখলের জন্য যাতে সেখানে ফ্ল্যাট তৈরি করে বিক্রি করা যায়”, মন্তব্য সৌমিত্র বাবুর। এছাড়াও বাম ও তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবী কৌশিক সেন, অপর্ণা সেন, নচিকেতা চক্রবর্তী, শিলাজিৎকে দালাল বলে উল্লেখ করেছেন সৌমিত্র খাঁ। তাঁরা কেন এখন এই ঘটনায় চুপ, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।





