মুকুল রায়ের দলত্যাগ নিয়ে বিজেপির অভিযোগে আজ, শুক্রবার বিধানসভায় শুনানি হয়। কিন্তু সেই শুনানিতে মোটেই প্রসন্ন নয় গেরিয়া শিবির। এদিন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে শুনানিতে হাজির ছিলেন অভিযোগকারী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এদিন শুনানি শুরু হতে না হতেই শেষ। কথা হয় মাত্র তিন মিনিট। পরবর্তী শুনানির তারিখ দেওয়া হয়েছে ৩০শে জুলাই।
কিন্তু এই শুনানিতে মোটেই প্রসন্ন নয় গেরুয়া শিবির। বিজেপির সূত্রে খবর, অতীতের অভিজ্ঞত বিচার করে এবার আদালতের দ্বারস্থই হবে তারা। এও জানা গিয়েছে যে পরবর্তী শুনানির আগেই গেরুয়া শিবির যেতে পারে আদালতে।
কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিজেপির হয়ে ভোটে জিতে বিধায়ক হন মুকুল রায়। কিন্তু ভোটের ফলাফল বেরনোর কিছুদিন পরই তৃণমূলে ফিরে জন মুকুল। তবে তৃণমূলে যোগ দিলেও নিজের বিধায়ক পদ ছাড়েন নি তিনি। তাই বিধানসভায় তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন।
আরও পড়ুন- ‘নিরুদ্দেশ বিধায়ক হিরণ, খুঁজে দিলে মিলবে আকর্ষণীয় পুরস্কার’, পোস্টারে পোস্টারে ছয়লাপ খড়গপুর
এর আগেও বিধানসভায় কয়েকজন বিধায়কের দলবদল নিয়ে অভিযোগের শুনানি হয়। কিন্তু সেই বিবাদের কোনও মীমাংসা হয়নি। সেই সময় বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ছিলেন কংগ্রেসের আবদুল মান্নান। তিনি আদালতের দ্বারস্থও হন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিষয়ে স্পিকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এদিনের শুনানিতে শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির আরও দুই বিধায়ক অম্বিকা রায় ও সুদীপ মুখোপাধ্যায়।
বিজেপি পরিষদীয় দল চাইছে সময় নষ্ট না করে যত দ্রুত সম্ভব আদালতে এই বিষয়ে জানিয়ে এই মামলায় সুবিচার পাওয়া। তবে, নিয়ম অনুযায়ী, দলত্যাগজনিত বিবাদের ব্যাপারে প্রথমে স্পিকারের কাছেই অভিযোগ জানাতে হয়।a





