আর মাত্র কয়েক মাসের অপেক্ষা তার পরই জানা যাবে বাংলার মসনদে কে বসতে চলেছে। তাই বিজেপি এবং তৃণমূল দুই পক্ষই জোর কদমে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে। দলবদলের খেলাতে জমে উঠেছে রাজনীতির রঙ্গমঞ্চ। কিন্তু এই সবের মধ্যেই ঈষৎ চিন্তার ভাঁজ পড়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কপালে। এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বঙ্গে এসে দাবি করেছিলেন বিজেপি রাজ্যে দু’শোর বেশি আসন জিতবে।
কিন্তু এখানেই একটু গোল বেঁধেছে। বঙ্গে বিধানসভায় মোট ২৯৪টি আসন রয়েছে। কিন্তু বিজেপি যে অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা করেছে তাতে সম্প্রতি দেখা গিয়েছে যে এই আসনের সমবন্টন হয়ে যেতে পারে বিজেপি এবং বিরোধীদের মধ্যে। তাতেই একটু চিন্তায় পড়ে গিয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব।
সেজন্যেই তড়িঘড়ি গতকাল মুকুল রায় এবং দিলীপ ঘোষকে দিল্লিতে ডাকা হয়েছে এবং ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যাচ্ছে যে তারা আজকে রাতেই কলকাতায় ফিরবেন। আগামী রবিবার সল্টলেকের ইজেডসিসিতে আপদকালীন ভিত্তিতে বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে সমস্ত জেলার সভাপতিরা উপস্থিত থাকবেন। থাকবেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ এবং বিজেপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ স্তরের কেন্দ্রীয় নেতা। সেখানেই তৈরি হবে নতুন গেম প্ল্যান। যার উপর ভর করে এই বিধানসভা নির্বাচনে শক্তিশালী হয়ে দাঁড়াবে বিজেপি। এরকমটাই জানা যাচ্ছে গোপন সূত্রে।
এখনই এই বিষয়ে বিস্তারিত কাউকে জানাচ্ছে না বিজেপি। কিন্তু বাংলার নির্বাচন জিততে তারা যে মরিয়া তা তাদের পদক্ষেপ দেখেই স্পষ্ট। আগামী রবিবারের বৈঠকের পর হয়তো নতুন কোনো রণকৌশল অবলম্বন করতে চলেছে বিজেপি যা সমূলে নিকেশ করবে তৃণমূলকে।





“রাজনীতিতে তারকার খ্যাতি নয়, আদর্শ থাকা জরুরি!” “প্রত্যেককে নিরাপত্তা দেবে এমন একজনই হোক মুখ্যমন্ত্রী!” রাজনীতিতে তারকাদের ভূমিকা ও নির্বাচনে আদর্শহীন প্রার্থীদের নিয়ে অকপট লগ্নজিতা চক্রবর্তী!