শুরু ধর্মের রাজনীতি! মকর সংক্রান্তিতে জয় শ্রীরাম বলার জের, বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

ভারতবাসীর ধর্মের ডাক এখন রাজনৈতিক ডাকে পরিণত হয়েছে। যেখানে রেহাই নেই ভগবানেরও। রামের নামে পঙ্কিল রাজনীতিতে ডুবছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি।
মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে বিশ্বজিৎ মাইতি নামে এক বিজেপি কর্মী দামোদর নদীতে স্নান করে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে দিতে বাড়ি ফিরছিলেন। এটাই তাঁর দোষ। আর সেই কারণেই তাঁকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পুড়শুড়া ব্লকের জঙ্গলপাড়া গ্রামে। অভিযোগ, স্নান করে বাড়ি ফেরার সময় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী ওই আক্রান্ত বিজেপি কর্মীকে কটুক্তি করে। পরে বেলার দিকে যখন বিশ্বজিৎ বাজারে আসেন সেই সময় বেশকিছু তৃণমূল কর্মী তার ওপরে চড়াও হয়ে ব্যাপক মারধর করতে থাকে বলে অভিযোগ।
গুরুতর আহত অবস্থায় বিশ্বজিৎকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন বিশ্বজিৎ আঘাত গুরুতর। এই  বিষয়ে ইতিমধ্যেই পুড়শুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে বিশ্বজিতের পরিবার।
আবার এই ঘটনার উল্টো চিত্র দেখা গেছে, উত্তর ২৪ পরগনা জেলার শ্যামনগরে। সেখানে জয় শ্রী রাম ধ্বনি না দেওয়ায় এক তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার শ্যামনগর আতপুর নিমতলা মোড় এর কাছে এটিএম-এ টাকা তুলতে এসেছিল তৃণমূল কর্মী কাজল দে। টাকা তুলে বের হওয়ার সময় তাকে কিছু বিজেপি কর্মী ঘিরে ধরে এবং জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে বলেন। কিন্তু কাজল জয় শ্রী রাম না বলে জয় বাংলা বলে ধ্বনি দেয়। এরপরেই শুরু হয় বচসা। অভিযোগ বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় তৃণমূল কর্মী কাজল দে কে। মাথায় আঘাত পেয়ে মাটিতে পড়ে যান কাজল। এরপর তাকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। পরে স্থানীয় জগদ্দল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তৃণমূল কর্মী। ঘটনার তদন্ত করছে জগদ্দল থানার পুলিশ।

RELATED Articles