ভোট শুরুর আগেই রাজনৈতিক হ’ত্যা বাংলায়! বিজেপি করার ‘অপরাধে’ খু’ন, ধানের জমি থেকে উদ্ধার কর্মীর মৃ’ত’দে’হ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

এখনও লোকসভা নির্বাচন শুরুই হয়নি। এর আগেই রাজনৈতিক হত্যা শুরু বাংলায়। এর আগে পঞ্চায়েত ভোটে এই একই চিত্র দেখেছিল বাংলা। এবার ফের সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ধানখেত থেকে উদ্ধার হল বিজেপি কর্মীর মৃতদেহ। এই ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল।

কোথায় ঘটল এই ঘটনা?

ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুরের খড়গপুর এলাকায়। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম শান্তনু ঘোড়াই। এলাকায় তিনি বিজেপি কর্মী বলে পরিচিত। খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত পরপরআড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বাড়বাসি এলাকার বাসিন্দা তিনি।

সূত্রের খবর, আজ, শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বের হন শান্তনু। এরপর আর বাড়ি ফেরেন নি তিন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁর রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ধানজমিতে। তাঁর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানা গিয়েছে। শরীরে বিড়ি-সিগারেটের ছ্যাঁকা ছিল।

খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে আসে খড়গপুর লোকাল থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে।

মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলের লোকেরাই শান্তনুকে খুন করেছে। শান্তনুর বাবার দাবী, “বিজেপি করি বলেই ছেলেকে জীবন দিতে হল। বারবার বলা হতো বিজেপি করবে না। বিজেপি করলে মুশকিল আছে। মেরে দেওয়ার হুমকি দিত”। দোষীদের শাস্তির দাবী উঠেছে। তবে এখনও পর্যন্ত থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।

এই ঘটনায় ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূল যে হিংসা ও সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করল তার বদলা কিন্তু আমরা নেব। তৃণমূলকে সতর্ক করছি। এটা কিন্তু ২০১৯, ২০২১ নয়। মানুষ জন আন্দোলন করলে পালাবার পথ পাবেন না”।

যদিও তৃণমূলের তরফে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক অজিত মাইতি বলেন, “হিরণের এই হাস্যকর বক্তব্য থেকে আমার যেটা মনে হচ্ছে প্রচারে লোক পাচ্ছে না, দেবের সভায় হাজার হাজার মানুষ দেখে এসব মৃতদেহকে হাতিয়ার করছে”।

RELATED Articles