Bomb Blast: আগামীকাল অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথম দফার ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের তিন আসনে। ভোট শুরুর আগেই রাজ্যে শুরু বোমা ফেটে বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা। এক নির্মীয়মাণ বাড়িতেই মজুত করে রাখা বোমা ফেটে উড়ে গেল এক বাড়ির একাংশ। এই ঘটনায় লেগেছে রাজনৈতিক রঙ।
কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা (Bomb Blast)?
এই ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম-জামুরিয়ার শেষ সীমানার গ্রাম বাগডিহাতে। গতকাল, বুধবার রাতে আচমকাই বিস্ফোরণের (Bomb Blast) শব্দ শোনা যায়। ঘুম ভেঙে যায় এলাকাবাসীর। তারা বাইরে বেরিয়ে ধোঁয়া দেখতে পান। এই বিস্ফোরণের জেরে বিবাদ লেগেছে ওই গ্রামের শীল ও গড়াই এই দুই পরিবারের মধ্যে। আর তাতেই লেগেছে রাজনৈতিক রঙ।
কী দাবী সেই পরিবারের?
একদিকে শীল পরিবার দাবী করেছে, কাজল গড়াইয়ের নির্মীয়মাণ ফাঁকা বাড়িতে এই বোমা ফাটার ঘটনা ঘটেছে। আর সেই বিস্ফোরণের (Bomb Blast) জেরে তাদের বাড়ির এক অংশ ও শৌচালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনা যখন ঘটে, তখন শীল বাড়িতে কেউ ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে।
আবার অপরদিকে, গড়াই পরিবারের দাবী, নির্মীয়মাণ বাড়িতে বোমা ফেটেছে (Bomb Blast)। ওই বাড়ির মালিক কাজল গড়াই জানাচ্ছেন, ওই বাড়িতে কেউ থাকে না। কোনও দরজা জানলাও নেই। তারা অন্য বাড়িতে থাকেন। তাই কেউ তাদের ফাঁসানোর জন্যই ষড়যন্ত্র করে ওই নির্মীয়মাণ বাড়িতে বোমা রেখেছিল। আর প্রচণ্ড গরমে তা ফেটে (Bomb Blast) গিয়েছে। এই ঘটনার পর সেখানে পৌঁছয় জামুরিয়া থানার পুলিশ। তারা সবটা খতিয়ে দেখছে।
তবে ভোটের আগে এমন ঘটনায় রাজনৈতিক রঙ লেগেছে এই বিষয়ে। তৃণমূলের দাবী, যার বাড়িতে এই বিস্ফোরণ (Bomb Blast) হয়েছে, সেই কাজল গড়াই এলাকার বিজেপি নেতা। পঞ্চায়েত ভোটে সমিতির প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। ভোটের আগে এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করতেই ওই বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল বলে দাবী তৃণমূলের।
তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে বিজেপির তরফে। তাদের দাবী, এই গোটা পাড়ায় তৃণমূলের দাপট চলে। কাজল গড়াই বিজেপি করেন বলেই তাঁকে ফাঁসানোর জন্য তৃণমূলই এই ঘটনা (Bomb Blast) ঘটিয়েছে।





