BJP Leaders Protested: বেশ আলোচনা-চর্চার পর অবশেষে ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছিল বিজেপি। সেই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে স্থানীয় নেতা অভিজিৎ দাসকে প্রার্থী করেন মোদী-শাহরা। তবে সেই প্রার্থীকে নিয়ে মোটেই খুশি নন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। সেই কারণে এবার তারা প্রার্থী বদলের দাবী তুললেন (BJP Leaders Protested)। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ডায়মন্ড হারবারের প্রার্থী বদল না হলে ভোটের কাজ থেকে তারা বিরত থাকবেন বলেও জানিয়েছেন।
ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার বজবজ বিধানসভার ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি-সহ ৬৮ জন বিজেপি নেতা কর্মী এই প্রার্থী বদলের দাবী তুলেছেন। এই নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কাছে চিঠিও দেন তারা। বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতারা (BJP Leaders Protested) জানিয়েছেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থী বদল না করলে তারা ৪ জুন পর্যন্ত দলের হয়ে কোনও কাজ করবেন না।
ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে বেশ টালবাহানা চলছিল বিজেপির অন্দরে। বেশ অনেকগুলো নামই সামনে আসছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্তও কোনও নাম নিয়েই সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না কেন্দ্র। শেষ পর্যন্ত লোকসভা ভোট শুরুর ৪ দিন আগে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের জন্য জেলার প্রাক্তন সভাপতি তথা ২০১৪ ও ২০১৯ সালের নির্বাচনের প্রার্থী অভিজিৎ দাসের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে বিজেপি নেতাকর্মীরা চেয়েছিলেন, এই কেন্দ্রে তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে টক্কর দেওয়ার জন্য কোনও হেভিওয়েট নেতাকে যাতে প্রার্থী করা হয়। কিন্তু তেমনটা না হওয়ায় এবার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন তারা (BJP Leaders Protested)।
বিক্ষোভ জানিয়ে ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি পৃথা দাস চিঠিতে লিখেছেন, “ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অভিজিৎ দাসকে সবার অপছন্দ। ওঁর সমর্থনে সাধারণ কর্মী থেকে কার্যকর্তা-কেউ কাজ করবেন না। উনি আগেও হেরেছেন। বিজেপির কর্মীদের আবেগ নিয়ে ছেলেখেলা উচিত নয় (BJP Leaders Protested)। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন”।
অন্যদিকে, সাতগাছিয়া বিধানসভার কনভেনার তপন ঘোষের কথায়, “ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে আমাদের প্রার্থীর নির্বাচন ঠিকমতো হয়নি। আমরা প্রার্থী বদলের দাবীতে আজকে এখানে এসেছিলাম। রাজ্য় নেতৃত্ব চেষ্টা করবেন বলেছেন। এই প্রার্থী আগে দুইবার ভোটে দাঁড়িয়ে হেরেছেন। এবারে আমার চেয়েছিলাম ভালো প্রার্থী এখানে দাঁড়াক। এই প্রার্থী আমরা চাইছি না” (BJP Leaders Protested)।
এক মণ্ডল কার্যকর্তার বক্তব্য, “আজকে আমার ৬৮ জন কার্যকর্তা এখানে এসেছি। যদি প্রার্থী বদল না করা যায় তাহলে আমরা ৪ জুন পর্যন্ত কাজ করব না। আমরা গণ ইস্তফা দেব। শুধু আমরা নয়, আরও অনেক কার্যকার্তা ভোট কাজে থাকবেন না (BJP Leaders Protested)। ৪ তারিখের পর দল আমাদের যা দায়িত্ব দেবে তা পালন করব”।





