ঠিক সময়মতই শুরু হয়েছিল পরীক্ষা। একে একে পরীক্ষার্থীরা আসতেও শুরু করেছিলেন। পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকেও গিয়েছিলেন সকলে। তবে এক পরীক্ষার্থীর কাছে থাকা অ্যাডমিট কার্ড দেখে সন্দেহ হয় পরীক্ষকের। তা ভালো করে খতিয়ে দেখতেই বুঝতে পারেন, সেটি আসলে ভুয়ো। তা ধরা পড়তেই খবর দেওয়া হয় থানায়। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় কলেজ-সহ গোটা এলাকায়।
কী ঘটেছিল ঘটনাটি?
আজ, শুক্রবার মালদহের চাঁচল কলেজে বি এ জেনারেলের পঞ্চম সেমিস্টারের পরীক্ষা ছিল। এদিন এক পরীক্ষার্থীর জায়গায় পরীক্ষা দিতে আসে তার দাদা। ওই ব্যক্তির কাছে থাকা অ্যাডমিট কার্ড দেখে সন্দেহ হয় পরীক্ষকের। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত বিশ্বাস সেটি কন্ট্রোল রুমে পাঠালে সেখান থেকে জানানো হয় অ্যাডমিট কার্ডটি ভুয়ো। এরপরই খবর দেওয়া হয় চাঁচল থানায়।
কী জানাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ?
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অজিত বিশ্বাস বলেন, “গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সেমিস্টারের পরীক্ষা চলছে চাঁচল কলেজে। বাইরের কলেজ থেকে পড়ুয়ারা এখানে পরীক্ষা দিতে এসেছে। পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষকের হাতে একটা জালিয়াতির ঘটনা ধরে পড়ে। হাজিরা খাতায় দেখা যায় একটা মেয়ের ছবি আছে, অ্যাডমিট কার্ডে রয়েছে একটা ছেলের ছবি। তাই সন্দেহ দানা বাঁধে। ছেলেটা বলতে থাকে ওটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুল। দ্রুত বিষয়টা কন্ট্রোলারের অফিসে জানানো হয়। তারপরই বোঝা যায় আসল ঘটনা। অরিজিনালে দেখা যায় মেয়ের ছবি আছে। তারপরই ছেলেটিকে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বের করে আনা হয়। খবর দেওয়া হয় থানায়”।
এই ঘটনার কথা স্বীকার করে নেন অভিযুক্ত যুবক। তার নাম সিদ্ধার্থ দাস। তিনি জানান, তিনি তাঁর বোনের হয়ে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। তাঁর বোন অসুস্থ, সেই কারণে এই কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
এদিন ক্যামেরার সামনে ওই যুবক বলেন, “আসল অ্য়াডমিট কর্ডের জেরক্স করে নকলটা তৈরি করেছিলাম। স্যাররা সেটা বুঝতে পেরে যান। তবে এটা করা ঠিক হয়নি। আমার ভুল হয়েছে”।






