বরানগরে বিজেপি নেতার বাড়িতে গুলি দুষ্কৃতীদের, তৃণমূলের ‘অজুহাত’ ভুয়ো ঘটনা!

বরানগর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কেদারনাথ ভটাচার্য লেনে ফের বিজেপি নেতার বাড়িতে শুট আউটের অভিযোগ। বিজেপির কলকাতা উত্তর শহরতলি জেলার সহ-সভাপতির বাড়ির সামনে এই গুলি চালানোর ঘটনা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। যথারীতি এই ঘটনায় পদ্ম শিবিরের তরফে ঘাসফুল শিবিরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। 
চলুন আসল ঘটনাটি জেনে নেওয়া যাক-
বুধবার রাতে উত্তর কলকাতা শহরতলীর সহ-সভাপতি রাজীব মিশ্রর বাড়ির নীচে রাতে ১২টা নাগাদ কয়েকজন যুবক এসে তার নাম ধরে ডেকে তাঁর সঙ্গে দল করার কথা বলেন।
কিন্তু রাজীব মিশ্র না বেরিয়ে বেরিয়ে বলেন ফোনে কথা বলে নিতে, আর এরই মধ্যে তাঁর বাড়িতে এক স্থানীয় বিজেপি নেতা আসেন । তখন হঠাৎই ওই তিন জন দুষ্কৃতী তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান ওই বিজেপি নেতা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বরানগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

বিজেপি নেতা রাজীব মিশ্র এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় জানান “রাতে আমি বাড়ি ফেরার পরে কয়েকজন লোক আমার বাড়ি এসে দরজায় টোকা করে। তারা সংখ্যায় তিনজন ছিল। কলিংবেল না টিপে দরজায় ধাক্কা দিতে থাকে ওরা। এরপর আমাকে ডাকে। আমি তাদের কাউকেই চিনি না। এরপর বাপ্পা নামে আমার এক বন্ধু আমাদের বাড়িতে আসে। সেই সময়ই ওই দুষ্কৃতীরা দু’রাউন্ড ফায়ার করে গুলি ছোড়ে। তারপরে পালিয়ে যায়।” তার দাবি যেহেতু তিনি বিজেপি করেন এবং দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাই তার উপর তৃণমূল হামলা চালানোর চেষ্টা করছে।

ইতিমধ্যেই এই ঘটনা নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়ে গেছে বঙ্গ রাজনীতিতে। গতকাল রাজীব মিশ্রর বাড়িতে গুলি চালানোর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিজেপি রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, জেলা সহ-সভাপতি রাজীব মিশ্র র বাড়িতে আসেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন তিনি। সৌমিত্র বলেন , পুলিশের ওপর আস্থা রেখেই আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবেন। যদি ১২ তারিখের মধ্যে দোষীরা গ্রেফতার না হয়, তাহলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাবেন।

RELATED Articles