সারদা, রোজভ্যালির মতো হাইপ্রোফাইল চিটফান্ডের সঙ্গে আর‌ও ২৫ টি অর্থলগ্নিকারী সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু সিবিআই-এর

সারদা কাণ্ড (Saradha scam) নাড়িয়ে দিয়ে গিয়েছিল শাসকের গদি। যে ঘটনার রেশ এখন‌ও সম্পূর্ণ ঝেড়ে ফেলতে পারেনি শাসক দল। একদিকে, যখন সারদা (Saradha) এবং রোজভ্যালির (Rose valley) মত হাইপ্রোফাইল চিটফান্ডের (chit fund) মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট জমা দিতে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই (CBI)।

সেখানেই আবার গোয়েন্দাদের নজর রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার প্রায় ২৫টি অর্থ লগ্নিকারী সংস্থার ওপর‌ও। শহর কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এই চিটফান্ড সংস্থাগুলিতে নিজেদের রক্ত জল করা অর্থ লগ্নি (investment) করে বিপাকে পড়েছেন বাংলার হাজার হাজার মানুষ। সেই ২০১৩ সাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন লগ্নিকারীরা। সেগুলিই এবার হাতে এসেছে সিবিআইয়ের। তবে গোয়ান্দারা জানিয়েছেন, ওই অর্থ লগ্নিকারী সংস্থাগুলির কর্ণধাররা ইতিমধ্যে বেপাত্তা। তবে তাদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

ওই সংস্থাগুলির মধ্যে রয়েছে, কলকাতার সাউথ এভিনিউয়ের ফিউচার মার্গ রিয়েলিটি, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের এমপিবি মার্কেটিং সার্ভিসেস লিমিটেড, মধ্যমগ্রামের আরটিসি রিয়েল ট্রেড, হেমনগরের ইউনিয়ন অ্যাগ্রোটেক লিমিটেড, বাগুইআটির এক্সপ্রেস কালটিভেশন প্রাইভেট লিমিটেড, হাওড়ার বাগনানের রেভেলিউশন মার্কেটিং কনসেপ্ট, বিষ্ণুপুরের হাসপার ম্যাক্রো ফিনান্স সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইত্যাদি। এ ছাড়া পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, কোচবিহার— এসব জেলা থেকেও হাজার হাজার অভিযোগ পেয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সে সব চিটফান্ড সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানান সিবিআইয়ের এক কর্তা।

গত তিন মাস ধরে ওই প্রত্যেকটি সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু করেছে সিবিআই।

RELATED Articles

Leave a Comment