রাজ্যের নানান পুরসভায় যে নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে, তা আগেই জানা গিয়েছিল। এই দুর্নীতির অভিযোগে আপাতত জেলবন্দি অয়ন শীল। এবার রাজ্যের সমস্ত পুরসভাগুলিকে নোটিশ পাঠাল সিবিআই। মিউনিপ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টরেটের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইমেল পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দুর্নীতি দমন শাখার ডিএসপি মলয় দাস।
২০১৫ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত নানা পুরসভায় যে সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের স্থায়ী পদে নিয়োগ হয়েছে, তা কোন পদ্ধতি মেনে হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে পাঠানো ওই ইমেলে। শুধু তাই-ই নয়, পুরসভাগুলি থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত নানান তথ্যের কপিও চেয়ে পাঠিয়েছে সিবিআই।
সিবিআই আধিকারিকরা এও জানতে চান, ২০১৫ সাল থেকে টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে ঠিক কতজনকে নিয়োগ করা হয়েছে। সিবিআইয়ের অনুমান, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছে মেজারস এবিএস ইনফোজন প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক সংস্থা। এই সংস্থার ভূমিকা আসলে কী নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে, তাও জানতে চায় সিবিআই।
তাছাড়া, পুরসভাগুলি থেকে এমইডিকে কোনও প্রোপোসড লেটার দেওয়া হয়েছিল কী না, বা যদি দেওয়াও হয় তাহলে এমইডি-র ভূমিকা কী ছিল, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত পুরসভা এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
প্রসঙ্গত, এই পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই গ্রেফতার করা হয় অয়ন শীলকে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়টি সামনে আসে। তা নিয়ে তদন্ত হলে দেখা যায় রাজ্যের বেশিরভাগ পুরসভাতেই নিয়োগে বেনিয়ম রয়েছে। তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এবার পুরসভাগুলিকে নোটিশ দিয়ে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।






