পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা, অশান্তি, খু’নো’খু’নি, রক্তপাতের সাক্ষী থেকেছে বাংলা। এই নিয়ে বিরোধীরা বারবার সুর সপ্তমে তুলেছে। তৃণমূলের দিকেই গিয়েছে সমস্ত কটাক্ষ। এবার কলকাতায় পা দিয়েই ভোট হিংসা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলকে কটাক্ষ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শাসকদলের বিরুদ্ধে ব্যাপক হিংসা অশান্তির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। মনোনয়ন জমা দেওয়া থেকে শুরু করে ভোটের ফল প্রকাশ ও তারপরও তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুন্ডামির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে কংগ্রেস ও সিপিএম-এর নেতাকর্মীরাও। সেই ঘটনাতেই এবার কলকাতায় এসে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে হিংসায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন অনুরাগ ঠাকুর।
কী বললেন অনুরাগ ঠাকুর?
এদিন কলকাতায় পা দিয়ে দমদম বিমানবন্দরে দাঁড়িয়েই ভোট হিংসা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “পঞ্চায়েত হিংসায় মোট ৫৭ জন খুন হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তৃণমূল কর্মীরা গুন্ডামি করেছে। মমতার নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে বাংলায়। রাজনৈতিক লাভের জন্য ৮-৯ বছর ধরে অপরাধীদের সংরক্ষণ করেছেন উনি। মানুষ তার জবাব ভোটের মাধ্যমে দিয়েছেন। বিজেপির আসন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এটা প্রমাণিত মমতার সময় ধীরে ধীরে ফুরিয়ে এসেছে”।
ভোট হিংসা দায় বিরোধীদের উপরই চাপান মমতা
অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার ভোট হিংসার দায় দায় পাল্টা বিরোধী বাম, বিজেপি ও কংগ্রেসের উপরেই ঠেলে দেন। তৃণমূলের দাবি, ভোটগ্রহণ কে কেন্দ্র করে হিংসার ঘটনা সবথেকে বেশি প্রাণ হারিয়েছেন তৃণমূলের কর্মীরাই।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বারবার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলার চেষ্টা করেছেন যে, এতগুলি জেলায় ভোট হয়েছে যার মধ্যে মাত্র ৬-৭টি বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা সামনে এসেছে। একে ভোট-পরবর্তী হিংসা বলতে নারাজ তিনি এবং অন্যান্য তৃণমূল নেতা কর্মীরাও।





