এর আগেও তৃণমূলের নানান নেতারা কেন্দ্রকে আক্রমণ করতে গিয়ে নানান বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। একশো দিনের কাজে বকেয়া টাকা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেন তিনি। আর সেই আক্রমণ শানাতে গিয়েই তিনি বলে বসেন, “ধরে নিলাম আমরা দুর্নীতি করছি। কিন্তু তা বলে টাকাটা কেন আটকাবে”?
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের কথায়, কেন্দ্রীয় সরকারের সঠিক নীতি না থাকার কারণে বাংলার মানুষকে ভুগতে হচ্ছে। কেন্দ্র সরকারের বঞ্চনার কারণেই নাকি বাংলার উন্নয়ন গতি থেমে গিয়েছে, এমনটাই দাবী অর্থমন্ত্রীর। তিনি বলেন যে কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলে বাংলায় একাধিক প্রকল্প আটকে রয়েছে। অন্যদিকে, আবাস যোজনা থেকে নানান প্রকল্পে রাজ্য সরকারের দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে বারবার কটাক্ষ শানিয়েছে বিজেপি। তৃণমূল নেতাদের ‘তোলাবাজ’ বলে দেগেছেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-নেত্রীরা।
এবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকের পর এর উত্তর দিয়ে চন্দ্রিমা বলেন, “তোলাবাজি কারা করেছে সেটা মানুষ দেখেছে। মানুষকে বঞ্চিত করে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধি করার জন্য এ ধরণের কথা বলে মানুষের প্রাপ্য অধিকার আটকানো, এটা কোন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আমরাও জিজ্ঞাসা করতে চাই”।
চন্দ্রিমা আরও বলেন, “১০০ দিনের কাজে ১৫ দিন পর টাকাটা পেয়ে যাওয়ার কথা। তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম আমরা দুর্নীতি করেছি। কিন্তু, তাই বলে যে কাজ করবে তাঁর টাকাটা আটকে দেবেন? এটা কী হয় না কি? তাঁর টাকা তো সোজা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে। আইন বলে টাকাটা পনেরো দিনের মধ্যে দিতে হবে। মানুষের টাকা আটকাচ্ছেন। একাধিক প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছেন। সেই হিসাব আমি আগেই দিয়েছি”।
এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। কেন্দ্রের ‘রোজগার’ নিয়েও আক্রমণ শানান রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। বলেন, “আমার এখান থেকে যখন টাকা নিয়ে যান তখন তো বলেন না দুর্নীতি করা রাজ্য থেকে আমি টাকা নেব না। সেটা তো দিব্যি নিয়ে যান। আর ফেরত দেওয়ার সময় সেটা দেবেন না, আমাদের প্রাপ্য টাকা আমাদের দেবেন না এটা কোন ধরণের বুজরুকি”।






