পশ্চিমবাংলার শিক্ষাব্যবস্থাকে রাজনৈতিক খাঁচাবন্দি করলে এর ফল হবে ভয়াবহ, নিজে ট্যুইট করে এমনই হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যপাল। আচার্যের ডাকা ভার্চুয়াল বৈঠকে উপাচার্যদের গরহাজিরা নিয়েই এখন বাংলার শিক্ষাক্ষেত্রে তরজা তুঙ্গে।
কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ে যে নিয়ম দেখিয়ে রাজ্য সরকার রাজ্যপালকে চিঠি দিয়েছিলেন, তার বৈধতা নিয়েই এবার প্রশ্ন তুললেন খোদ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর বক্তব্য “উপাচার্যদের নিয়োগপত্র বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যপালের। রাজ্য সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হোক।”
রাজ্যপালের কথায়, “রাজ্যে শিক্ষায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। যাঁরা কলেজে ভর্তি হয়েছেন, তাঁদের আর্থিক শোষণ করা হয়েছে। গত ২ বছর ধরে এই পরিস্থিতি চলছে।” রাজ্যপালের আরও দাবি, ‘উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকের কথা বললেও শোনেনি পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসন। তাঁর মতে দেশের কোনও রাজ্যে এমন পরিস্থিতি নয়।’
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশের দিন সকাল ১১টায় রাজ্য সরকারের সাহায্যপ্রাপ্ত সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের ভার্চুয়াল বৈঠকে আমন্ত্রণ জানান পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল। কিন্তু রাজ্যপালের সেই ডাককে থোরাই কেয়ার করে বৈঠকে হাজির হননি কোনও উপাচার্যই। আর এই নিয়ে ফের একবার রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালেন রাজ্যপাল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যপালকে পাঠানো চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, উপাচার্যরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলি স্বাধীন ভাবে কাজ করে। শিক্ষা দফতরের তত্ত্ববধানে গোটা পরিকাঠামো পরিচালিত হয়।





