এবারের বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ছিল হাইভোল্টেজ। তৃণমূল-বজেপি কাঁটায় কাঁটায় টক্কর হওয়ার আশঙ্কা করা হয়েছিল। ভোটের আগে থেকে লাগাতার বাংলার মসনদে জেতার হুঁশিয়ারি দিচ্ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। অমিত শাহ্ হোক বা নরেন্দ্র মোদী মমতাকে উৎখাত করে তৃণমূল বিদায়ের ডাক দিয়েছিলেন সবাই। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বুমেরাং হয়ে যায়। ২০০ পারের স্বপ্ন দেখা বিজেপি টলতে থাকে তৃণমূলের কাছে কার্যত অসহায়ের মতো পরাজয় স্বীকার করে।
আর এরপরই শুরু হয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের দাপট। ২০০র ওপর সিটে জিতে ব্যাপক হিংসা চালায় তারা। ঘর ছাড়তে বাধ্য হয় শয়ে শয়ে বিজেপি সমর্থক। মৃত্যু হয় বেশ কয়েকজনের। আক্রান্ত হয় বামেরাও।
আরও পড়ুন- ইতিমধ্যেই পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে! গতি বাড়িয়ে বুধবার দুপুরেই আছড়ে পড়তে পারে “যশ”
বাংলার ভোট-পরবর্তী হিংসা পরিস্থিতিকে দেখে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারির দাবি তোলেন অনেকেই। রাজ্য পরিদর্শনে আসে কেন্দ্রের বিশেষ পর্যবেক্ষক দল। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।
আর এবার জানা যাচ্ছে বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসাকে কেন্দ্র করে উদ্বিগ্ন ১৪৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দকে চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই বিশিষ্টজন এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি, আধিকারিক, রাষ্ট্রদূত, আমলা সবাই রয়েছে ওই বিশিষ্টজনদের মধ্যে। ১৭ জন বিচারপতি, ৬৩ জন আমলা ১০জন রাষ্ট্রীয় দূত ও প্রায় ৫৫ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
আরও পড়ুন- কোথায় করোনা বিধি? সমস্ত নিষেধ ভেঙে বিমানের মধ্যে ১৬১ জন অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ে সারলেন দম্পতি
রাষ্ট্রপতির কাছে ওই চিঠির মাধ্যমে আর্জি জানানো হয়েছে যেনও তিনি শীঘ্রই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে যদি তিনি সত্ত্বর এই বিষয়ে ব্যবস্থা না গ্রহণ করেন তাহলে সোনার বাংলাকে বাঁচানো যাবেনা।





