ওই কংগ্রেস বিধায়কের একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়েছিল আয়কর দফতর। সেখান থেকেই উঠে এসেছে বিধায়কের হিসেব বহির্ভূত ৪৫০ কোটি টাকা আয়ের তথ্য।
আর সেখানেই হানা দিয়েছিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। সেখান থেকে প্রায় ৮ কোটি টাকা নগদ, ৪৪ লক্ষ টাকার বিদেশি মুদ্রা-সহ নয়টি ব্যাঙ্ক লকারের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে খবর আয়কর দফতর সূত্রে। সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, কলকাতায় ব্যবসায়িক লেনদেনে প্রায় ২৫৯ কোটি টাকার অসঙ্গতি তাঁদের চোখে এসেছে। এমনকি একাধিক ঠিকানায় হানা দিয়েও সেখানে কার্যকরী অফিসের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এমনটাই জানিয়েছেন আধিকারিকরা।
একইসঙ্গে আধিকারিকরা জানিয়েছেন একটি সোয়া উৎপাদনকারী ব্যবসায়িক কোম্পানির সঙ্গেও মেসেজের কথা প্রকাশ্যে জানতে পেরেছেন। যেখানে প্রায় ১৫ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস জানিয়েছে, কংগ্রেস বিধায়কের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান প্রায় একাধিক সংস্থায় টাকা লেনদেন করে প্রায় ৫২ কোটি টাকার ‘ভুয়ো ক্ষতি’ দেখিয়েছেন।
আর কংগ্রেস বিধায়ক এর এই রকম বিচার বহির্ভূত অর্থ দেখে এখন বেজায় ঝামেলায় পড়েছে কংগ্রেস শিবির।





