ছেলে করোনা সংক্রমিত, রোগীর সঙ্গেই হাসপাতালে থাকছেন পরিবার লোকেরা, আতঙ্ক রাজ্যের নামী সরকারি হাসপাতালে

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এক যুবক। এরপর তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। কিন্তু এরপরেও রোগীকে কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি। উল্টে রোগীর সঙ্গে সারি ওয়ার্ডেই থাকছে তাঁর পরিবার পরিজনরাও। এর জেরে আতঙ্ক ছরিয়েছে হুগলীর ইমামবাড়া হাসপাতালে।

আরও পড়ুন- করোনা পরিস্থিতিতে রেলের মহান উদ্যোগ, সংক্রমণ রুখতে করোনা আক্রান্তদের জন্য ফের চালু ‘করোনা কোচ’

রাজ্যের নানান মেডিক্যাল কলেজ ও সরকারি হাসপাতালে সারি ওয়ার্ড রয়েছে। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিলে রোগীকে ওই ওয়ার্ডে প্রথমে ভর্তি নেওয়া হয়। এরপর তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁকে কোভিড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ইমামবাড়া হাসপাতালেও এই একই নিয়ম প্রযোজ্য।

এই হাসপাতালে সারি ওয়ার্ডটি রয়েছে তিনতলায়। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা নিয়ে যাঁরা ভর্তি হন, তাঁদের প্রথমে ওই ওয়ার্ডেই রাখা হয়। পরে করোনা পজিটিভি রিপোর্ট এলে, পরিস্থিতি অনুযায়ী রোগীকে সেফ হোমে কিংবা ব্যান্ডেল কোভিড হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে তেমনটা করা হয়নি বলে অভিযোগ। আর এতেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন- এবার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট মিলবে মাত্র ৪৫ মিনিটেই, যুগান্তকারী আবিষ্কার আইআইটি খড়গপুরের, বাজারে আসছে কোভির‍্যাপ

সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, চুঁচুড়ার ইমামবড়া হাসপাতালের সারি ওয়ার্ডে এক যুবকের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে প্রায় তিনদিন আগে। কিন্তু অভিযোগ, তাঁকে এখনও সারি ওয়ার্ডেই রেখে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, ওই রোগীর সঙ্গে হাসপাতালে তাঁর পরিবারের লোকেরাও থাকছেন বলে অভিযোগ।

ছেলে করোনা সংক্রমিত, রোগীর সঙ্গেই হাসপাতালে থাকছেন পরিবার লোকেরা, আতঙ্ক রাজ্যের নামী সরকারি হাসপাতালে

এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন হাসপাতালে সুপার। তাঁর কথায়, ওই করোনা রোগী ওই হাসপাতালের এক নার্সেরই ছেলে। কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও তাঁকে কোভিড হাসপাতালে পাঠানো যায়নি। সেফ হোমে যেতেও রাজি হননি তিনি। কিন্তু এবার রোগীকে জোর করে হাসপাতাল থেকে সরানো হবে, এমনটাই আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতাল সুপার।

RELATED Articles