বাংলায় এখন গণতন্ত্রের উদযাপন চলছে। এরই মাঝে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে করোনা পরিস্থিতি। বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে বিপুল জনসমাবেশ, সভা-সমিতি থেকে করোনার ভয়াবহ আকার ধারণ করার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এমনিতেও বাংলার করোনা পরিস্থিতি বেশ সংকটজনক। এই সময়ে দাঁড়িয়ে সতর্কতামূলক ভাবে এ বার নয়া বিধি নিষেধ জারি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শনিবারই রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ ৭ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৪ জন রোগীর। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাই বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর।
আরও পড়ুন- ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি! করোনার থাবা থেকে রেহাই নেই শিশুদেরও, আক্রান্ত হচ্ছে সদ্যোজাতরাও
উল্লেখ্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই হয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। গতকাল রাজ্যে নতুন করে সংক্রমণ বাড়ার জন্য বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই দায়ী করেছেন তিনি। বহিরাগতদের নিয়ে এসে বাংলায় করোনা ছড়ানোর মতো গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। শনিবার তাঁর হাতে থাকা স্বরাষ্ট্র দফতরই নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। রবিবার সকালে সেটি টুইট করে জানান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আপাতত আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত নয়া বিধি চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাতে।
কি কি বলা হয়েছে সেই নির্দেশিকায় দেখে নিন-
১. সরকারি দফতরগুলিকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ করতে হবে।
২. বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ফের কর্মীদের দিয়ে বাড়ি থেকে কাজ করানোর ব্যবস্থা করতে হবে। যত দূর সম্ভব একদিন ছাড়া ছাড়া বা সময়সূচি ধরে, শিফ্ট ভাগ করে বাড়ি থেকে কাজ করাতে হবে।
৩. বাড়ি থেকে বেরোলে বাস-ট্রেন বা গাড়ি, যাতেই যাতায়াত করা হোক না কেন, সব ক্ষেত্রেই মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।
৪. সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, শিল্প-কারখানা এবং সব বাণিজ্যিক ভবনগুলির সপ্তাহে এক বার অন্তত সম্পূর্ণ ভাবে জীবাণুমুক্তকরণ করতে হবে।





“আগে হিন্দু, তারপর বাঙালি…যে রক্ষা আমাদের রক্ষা করবে, আমি তাদের দলে” “আমি হিন্দুস্থান চাই” বাংলায় পদ্মফুলের উত্থানেই খুশি অভিজিৎ ভট্টাচার্য! বিজেপির সাফল্যের পর খুললেন মুখ! গায়কের মন্তব্যে তোলপাড় নেটদুনিয়া!