এসএসসি-র পর এবার প্রাইমারি টেটেও উঠল নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ। পরীক্ষায় পাশ না করেই একাধিক প্রার্থীর চাকরি হয়েছে। তদন্তের দাবী তুলে এবার বিচারপ্রি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে দায়ের হোক একাধিক মামলা। আজ, মঙ্গলবার এই মামলার শুনানি রয়েছে।
এবার ২০১৪ সালের প্রাইমারি টেটেও উঠল নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ। সুব্রত মণ্ডল-সহ ৮৬ জন প্রার্থী টেটে পাশ না করেও শিক্ষকের চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ। এই দুর্নীতির তদন্তের দাবী জানিয়ে রমেশ মালি-সহ একাধিক আবেদনকারী মামলা দায়ের করেছেন। মামলাকারীরা মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে দ্বারস্থ হয়েছিলেন। মামলকারীদের আইনজীবীর আশঙ্কা, সময় নষ্ট হলে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হতে পারে। এরপরই বিচারপতি জরুরি ভিত্তিতে মামলা দায়েরের অনুমতি দেন।
এর আগেও প্রাইমারি টেট নিয়ে প্রধান বিচারপতির এজলাসে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। তবে সেই মামলার গ্রহণযোগ্যতা কতটা, তা নিয়ে এখনও চলছে টানাপোড়েন। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করার জন্য রাজ্যের তরফে আয়োজন করা হয় টেট পরীক্ষার। নিয়োগও হয় তবে এবার সেই নিয়োগেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠল।
বলে রাখি, এসএসসি-তে নিয়োগ দুর্নীতির মামলা এখনও চলছে। এই মামলায় নাম জড়িয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। নিজের প্রভাব খাটিয়ে মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর শিক্ষিকার চাকরি করিয়েছেন পরেশ অধিকারী, এমনই অভিযোগ ওঠে। হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁর স্কুলে ঢোকা বন্ধ। আর এরই মাঝে আবার টেট নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও উঠল অভিযোগ। এর জেরে আদালতের নির্দেশে স্কুল শিক্ষিকার চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় অঙ্কিতাকে। তার ৪১ মাসের বেতন দু’দফায় ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।
এদিকে, গতকাল, সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে নবম ও দশম শ্রেণিতে বেআইনিভাবে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগে মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ, মেধাতালিকা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে যে ২০০-র মধ্যে থাকা প্রার্থী চাকরি পাননি, কিন্তু অথচ মেধাতালিকার ২৭৫ নম্বরে থাকা স্থানাধিকারী চাকরি পেয়েছেন। এরপরই মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে তিনি নির্দেশ দেন যে অঙ্কের শিক্ষক সিদ্দিকি গাজির চাকরি বাতিল করতে হবে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার