CPM attacked Bengal women for Lakshmir Bhandar: রাজ্যে আশানুরূপ ফল হয়নি বিজেপির। ৩০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা নিলেও তাদের জয়ের রথ থেমে গিয়েছে ১২-তেই। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের কিছু আসনও হারিয়েছে পদ্ম শিবির। কিন্তু বিজেপির থেকেও খারাপ অবস্থা একদা বাংলায় সরকারের ক্ষমতায় থাকা সিপিএমের। বিধানসভা তো শূন্য ছিলই, এবার লোকসভা নির্বাচনেও তাদের ঝুলি ফাঁকা। এই ব্যর্থতার পরই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে কটাক্ষ শুরু বামেদের (CPM attacked Bengal women for Lakshmir Bhandar)।
রাজ্যে মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্প রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের। কন্যাশ্রী থেকে শুরু করে রূপশ্রী, সবুজশ্রী, নানান প্রকল্প। আর এর মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে ১০০০ টাকা পান রাজ্যের মহিলারা আর তফশিলি জাতির মহিলারা পান মাসিক ১২০০ টাকা। আর এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফলেই যে মহিলা ভোটবাক্সে পুরোটাই কব্জা জমাতে পেরেছে ঘাসফুল শিবির, তা বলাই বাহুল্য। আর তা নিয়েই কটাক্ষ লাল শিবিরের (CPM attacked Bengal women for Lakshmir Bhandar)।
রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে বামেদের ফলাফল দেখে অভিনেত্রী বামমনস্ক শ্রীলেখা মিত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “ব্যস! আর তো কিছু না। মাসে মাসে হাজার টাকা পেলেই বৌদিরা খুশি”। তিনি যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে কটাক্ষ করেই একথা বলেছেন, তা বেশ স্পষ্ট (CPM attacked Bengal women for Lakshmir Bhandar)। এরপর থেকেই মহিলারা প্রতিবাদ করেছেন।
আবার নানান সিপিএম নেতারাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে নানান ব্যঙ্গ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই লিখছেন, “শিক্ষা হেরেছে, ভিক্ষা জিতেছে”। অর্থাৎ তারা পক্ষান্তরে এটাই বোঝাতে চাইলেন বাংলার মহিলারা যারা এই ভাতা নেন, তারা আসলে ‘ভিখিরি’। হাত পেতে ভাতা নেওয়াকে ভিক্ষার পর্যায়েই ফেলেছে বামেরা (CPM attacked Bengal women for Lakshmir Bhandar)।
আর এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে এক যুদ্ধ। সিপিএমকে এহেন মন্তব্যের জন্য তুলোধোনা করেছেন মহিলারা। তাদের কথায়, ৩৪ বছরের রাজত্বে বামেরা কী করেছিল মহিলাদের জন্য। এখন যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের নিয়ে ভাবছেন, তখন এভাবে মহিলাদের আক্রমণ করা হচ্ছে কেন। মহিলাদের কথায়, এই কারণেই সিপিএম আজ শূন্য (CPM attacked Bengal women for Lakshmir Bhandar)।
বামেদের এহেন আচরণে কলকাতা পুরসভার মেয়র পারিষদ সদস্য মিতালি বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সকলের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য থাকে না। তাই বলে তাঁদের অপমান করা উচিত নয়। নির্বাচনী প্রচারে বামেরা বলেছিল ভাতা দ্বিগুণ করবে ক্ষমতায় এলে। আর এখন ভিক্ষা বলছে। যে মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান তাঁরা ভিখিরি। ছিঃ”।
এদিকে আবার পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সিপিএম নেতা নীলোৎপল বসু বলেন, “ভিক্ষার কাছে শিক্ষা হেরে গেল এই জাতীয় কথা গরিব বিরোধী। গণতন্ত্র বিরোধীও” (CPM attacked Bengal women for Lakshmir Bhandar)।





