স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভের থাকা জুনিয়র চিকিৎসকদের উপর হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। নবান্ন অভিযানের দিনই সেই হামলার ছক কষা হয়েছিল বলে দাবী করেছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। এই নিয়ে একটি অডিও ক্লিপও সামনে আনেন তিনি (অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করেনি খবর ২৪৭)। তাতে তিনি দাবী করেন, বাম ও অতি বামেদের তরফে এই হামলার ছক কষা হয়।
কুণাল জানান, বামেদের সূত্র ধরেই সেই অডিও ক্লিপ তাঁর হাতে এসেছে। সেই কথোপকথন অনুযায়ী, কোনও এক জনৈক সাহেব নাকি সল্টলেক ওড়ানোর অর্ডার দিয়েছেন। এর জবাবে একজন বলছেন, অর্ডার থাকলে যেন উড়িয়ে দেওয়া হয়। অডিও এও শোনা যায় যে একজন বলেছেন, নবান্নতে কোনও বৈঠক হয়নি। চিকিৎসকরা ফেরত চলে আসবেন। ফলে হামলা করলে সকলে বুঝবে যে তৃণমূলের তরফে হামলা করা হয়েছে।
কুণালের দাবী, রাজ্য সরকার ও তৃণমূলকে বেকায়দায় ফেলার জন্যই এমনটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি পুলিশকে আবেদন জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ওই সভাস্থলে যাতে বহিরাগতদের যাতায়াত বন্ধ করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ছাড়া যাতে অন্য কারোর প্রবেশ বন্ধ করা হয়, সেই আর্জি জানান কুণাল ঘোষ।
এই অডিও ক্লিপ সামনে আসতেই তা নিয়ে শোরগোল পড়ে যায়। বিধাননগর ইলেকট্রনিক্স থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে। এই ঘটনায় আগেই সঞ্জীব দাস নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর এবার গ্রেফতার করা হল ডিওয়াইএফআইয়ের মুখপত্রের সম্পাদক কলতান দাশগুপ্তকে। জানা গিয়েছে, লালবাজার থেকে ফেরার সময়ই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থানরত চিকিৎসকদের উপর হামলার ছক বাম-অতি বামদের, অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে দাবী কুণাল ঘোষের
যে অডিওটি সামনে এসেছিল, তাতে যে দুই ব্যক্তির গলার স্বর শোনা যায়, তাদের একজনের নামের আদ্যক্ষর ‘স’ আর অন্যজনের নামের আদ্যক্ষর ‘ক’। কুণাল ঘোষ দাবী করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন বাম যুব সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত এবং অপরজন অতি বাম যুব সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। শুক্রবারই পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিলেন এক অভিযুক্ত, সঞ্জীব দাস। সঞ্জীবের নামের আদ্যাক্ষর ‘স’। এবার ‘ক’ নামের আদ্যক্ষরের কলতান দাশগুপ্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ।






