স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থানরত চিকিৎসকদের উপর হামলার ছক বাম-অতি বামদের, অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে দাবী কুণাল ঘোষের

গত মঙ্গলবার থেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আর জি করের তরুণী চিকিৎসকদের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় চলছে প্রতিবাদ। অনেক সময়ই নানান রাজনৈতিক নেতানেত্রীরা এই আন্দোলনে সামিল হওয়া চেষ্টা করেছেন বটে, কিন্তু চিকিৎসকরা কাউকে ঘেঁষতে দেন নি। এরই মধ্যে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবী করলেন, সল্টলেকে অবস্থানরত চিকিৎসকদের উপর নাকি হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। আর তা করেছে বাম-অতি বামরা।

কুণাল ঘোষের দাবী, জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান বিক্ষোভের উপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। একটি অডিও প্রকাশ করে কুণাল বলেন, “২-৩টে শিবির ভয়ঙ্কর প্লট তৈরি করেছিল। মুখ্যমন্ত্রীকে বিড়ম্বনায় ফেলতে হবে বাইরের ছেলেদের এনে হামলা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল”।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল লিখেছেন, “ভয়ঙ্কর চক্রান্ত। সল্ট লেকে ডাক্তারদের ধরনায় হামলা চালিয়ে রাজ্য সরকার ও @AITCofficial কে বেকায়দায় ফেলতে কথা এক বাম যুব সংগঠন ও এক অতি বাম সংগঠনের মধ্যে। ওদের সূত্রেই পাওয়া। অবিলম্বে পুলিশ প্রশাসন ওখানে বহিরাগত প্রবেশ বন্ধ করুক”।

নিজের পোস্টের সমর্থনে একটি অডিও ক্লিপে কথোপকথন তুলে ধরেছেন কুণাল ঘোষ (অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে নি খবর ২৪x৭)। তাঁর কথায়, বামেদের সূত্র ধরেই সেই অডিও ক্লিপ তাঁর হাতে এসেছে। সেই কথোপকথন অনুযায়ী, কোনও এক জনৈক সাহেব নাকি সল্টলেক ওড়ানোর অর্ডার দিয়েছেন। এর জবাবে একজন বলছেন, অর্ডার থাকলে যেন উড়িয়ে দেওয়া হয়। অডিও এও শোনা যায় যে একজন বলেছেন, নবান্নতে কোনও বৈঠক হয়নি। চিকিৎসকরা ফেরত চলে আসবেন। ফলে হামলা করলে সকলে বুঝবে যে তৃণমূলের তরফে হামলা করা হয়েছে।

কুণালের দাবী, রাজ্য সরকার ও তৃণমূলকে বেকায়দায় ফেলার জন্যই এমনটা পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি পুলিশকে আবেদন জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ওই সভাস্থলে যাতে বহিরাগতদের যাতায়াত বন্ধ করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ছাড়া যাতে অন্য কারোর প্রবেশ বন্ধ করা হয়, সেই আর্জি জানান কুণাল ঘোষ।

আরও পড়ুনঃ ‘খুনি ডাক্তারদের বিচার চাই…’, বিনা চিকিৎসায় রোগীমৃত্যুর অভিযোগ তুলে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে স্লোগান মুখে মিছিলে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

এদিকে কুণালের এই দাবীর প্রেক্ষিতে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী পাল্টা দাবী, কুণাল এই অডিও পাচ্ছেন কীভাবে?লালবাজার বা নবান্ন কারোর হাতে কিছু এল না, অথচ কুণালের কাছেই এই অডিও এল? সিপিএম নেতার দাবী, যারা অডিও ভাইরাল করছে, তাদেরও সন্দেহের তালিকায় রেখে তদন্ত করা উচিত।

আরও অন্যান্য খবর