ভোটে লড়তে রাজি হওয়ার অন্যতম কারণ! কবে হবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান? ডেডলাইন জানালেন দেব

Dev declared the deadline for Ghatal Masterplan: লোকসভা নির্বাচনে এই কারণেই তিনি লড়তে রাজি হয়েছিলেন। রাজ্যের তরফে তাঁকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল এই বিষয়ে। ফলত নতুনভাবে সাংসদ নির্বাচিত হয়েই এবার সেই কাজ নিয়েই ভাবনাচিন্তা শুরু ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবের। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ শুরু করলেন দেব (Dev declared the deadline for Ghatal Masterplan)

ফের একবার ঘাটালের মানুষ বিশ্বাস রেখেছে তাঁর উপর। তৃতীয়বারের জন্য ঘাটাল থেকে সাংসদ হয়েছেন দেব। আর এরপরই ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান শুরু হল চিন্তাভাবনা (Dev declared the deadline for Ghatal Masterplan)। গতকাল, বুধবার এই নিয়ে রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে বৈঠক করে দেব। এই বৈঠকে ছিলেন সেচ দফতরের আধিকারিকরাও। জলসম্পদ ভবনে প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক।

এদিন বৈঠক শেষে ঘাটালের মাস্টারপ্ল্যানের ডেডলাইন জানিয়ে দিলেন দেব (Dev declared the deadline for Ghatal Masterplan)। তৃণমূল সাংসদ বলেন, “ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের সহযোগিতা না পেলে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান সম্ভব হবে না। নতুন করে অনেকগুলি খাল কাটতে হবে। অনেক জমি লাগবে আমাদের। আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) থেকে সেচ দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা ফিল্ডে থাকবেন। নতুন খাল কাটতে কোন কোন জমিগুলি লাগবে, কোন কোন খাল চওড়া করতে হবে, সেগুলি চিহ্নিত করে আসবেন”।

কবে শেষ হবে এই মাস্টারপ্ল্যান (Dev declared the deadline for Ghatal Masterplan)?

দেবের কথায়, “আগামী ৬ মাসের মধ্যে প্ল্যান তৈরি হয়ে যাবে। আট মাসের মধ্যে টেন্ডার ডাকা হবে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে কনস্ট্রাকশনের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা করছি। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান কার্যকর করার জন্য ঘাটালবাসীর সহযোগিতা লাগবে। আমার আশা, ১০০-২০০ বছরের এই সমস্যা মেটাতে ঘাটাল প্রস্তুত। এটা আমাদের পাঁচ বছরের প্ল্যান। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান পুরোপুরি সম্পূর্ণ হতে পাঁচ বছর লাগবে” (Dev declared the deadline for Ghatal Masterplan)

বলে রাখি, কংসাবতী, শীলাবতী ও দ্বারকেশ্বর ন্দের শাখা নদী ঝুমির নিয়ে তৈরি লীলাভূমি। আগেকার দিনে স্থানীয় ভূস্বামীরা চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে এই নদীগুলির বন্যা ঠেকানোর জন্য সার্কিট বাঁধ দিয়ে নিচু এলাকাগুলিকে বন্যার হাত থেকে বাঁচিয়ে আবাদি জমি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

কিন্তু কালের নিয়মে সেই বাঁধের অবস্থা ভঙ্গুর। প্রতি বছর সেই বাঁধ ভেঙেই ঘাটালে বন্যা দেখা দেয়। আবার জোয়ারের সময় আসা পলি বাঁধ উপচে না চলে যেতে পেরে নদীতে সেই পলি জমতে থাকে। আর এর ফলে নদীর জলধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে বন্যার প্রবণতা বাড়ে। আর বন্যার জেরে বিপর্যস্ত হয় ঘাটালের জনজীবন।

দেব অভিযোগ করেছিলেন, কেন্দ্রের বঞ্চনার জন্যই ঘাটালের এই মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা যায়নি। তবে রাজ্য এই মাস্টারপ্ল্যানের জন্য ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এই প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে ঘাটালের মানুষকে প্রতি বছর বন্যায় আর সব হারাতে হবে না। দেবের বেঁধে দেওয়া ডেডলাইন অনুযায়ী মাস্টারপ্ল্যানের কাজ হয় কী না, এখন সেটাই দেখার (Dev declared the deadline for Ghatal Masterplan)!  

RELATED Articles