উচ্চ আদালতের(high Court) গঠিত কমিটির আদেশের ভিত্তিতেই সোমবার থেকেই বিশ্বভারতীর (visva Bharati) পৌষ মেলা মাঠ প্রাঙ্গন ফেন্সিং(fencing) ও পাঁচিল দেওয়ার কাজ শুরু হয়। আন্দোলনে নামে মেলা মাঠ বাঁচাও কমিটি। কাজে শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই জরুরী ভিত্তিতে স্থগিতাদেশ চায় রাজ্য সরকারও। কিন্তু সেই আবেদন নাকচ করল প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণণের ডিভিশন বেঞ্চ (T.B radhakrishnan)।
কড়া পদক্ষেপ নিয়ে কঠিন কন্ঠে জানালেন, ‘আমরা গুলি খেলেও বিক্ষুব্ধ জনতাকে আদালতের মর্যাদা ক্ষুন্ন করতে দেব না। কারণ, আমাদের কর্তব্য আদালতের মর্যাদা রক্ষা করা।’
এদিন রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতে জানান, শান্তিনিকেতনের স্থানীয় ক্ষুব্ধ মানুষের জেরে বিশ্বভারতীতে পাঁচিল দেওয়ার কাজ ঠিকঠাকভাবে করা যাচ্ছে না। জনতাকে সামাল দেওয়াও যাচ্ছে না। এই কারণেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থগিতাদেশের দাবি জানানো হয়েছে। এ কথা শুনেই কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘বিক্ষুব্ধ জনতা কখনওই আইনের ঊর্ধ্বে নয়। পুলিশের দায়িত্ব আইন–শৃঙ্খলা রক্ষা করা। সেই কাজ যদি পুলিশের দ্বারা সম্ভব না হয় তা হলে আদালতকেই তা করতে হবে।’
২০১৭ সালে বিশ্বভারতীতে পৌষ মেলা বন্ধের নির্দেশ দেয় জাতীয় পরিবেশ আদালত। সে ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণণের ডিভিশন বেঞ্চ নিজেদের বক্তব্য জানায়, পরিবেশ আদালত পৌষমেলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে তা ঠিক। তবে সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনার অধিকার হাইকোর্টেরও রয়েছে। পৌষমেলার সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনা ও শান্তিনিকেতনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য জড়িয়ে রয়েছে। তাই এক্ষুনি মেলা বন্ধ করা যাচ্ছে না।





