Dilip Ghosh got angry with party leaders: দিলীপ ঘোষের চাঁচাছোলা মন্তব্যের কারণে বারবার বিতর্কের মাঝে এসে পড়েন তিনি। তাঁর আক্রমণাত্মক ভঙ্গির কারণে নির্বাচন কমিশনের তরফেও তাঁকে সাবধান করা হয়েছে। যদিও তাতে বিশেষ কোনও পাত্তা দেন নি তিনি। বিরোধী দলকে ও বিরোধী দলের নেতানেত্রীকে নিজের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমাতেই শানিয়েছেন তিনি। তবে এবার আর বিরোধী নয়, নিজের দলের কর্মীদের উপরেই বেজায় চটে গেলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী (Dilip Ghosh got angry with party leaders)। কী এমন ঘটল হঠাৎ?
প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই জোরকদমে প্রচার শুরু করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর পুরনো জায়গা থেকে তাঁকে প্রার্থী না করা হলেও প্রচারে কোনও কমতি রাখেন নি তিনি। কখনও হাতে লাঠি, কখনও হকি স্টিক তো কখনও আবার গদা নিয়ে ভোট প্রচারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। প্রাতঃভ্রমণ থেকে শুরু করে চা চক্র, বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনসংযোগ, কোনওটাই বাদ দেন নি দিলীপ ঘোষ। তবে এবার বেজায় চটলেন তিনি (Dilip Ghosh got angry with party leaders)।
আজ, বুধবার দুর্গাপুরের সগড়ভাঙা এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই দলের কর্মীদের বেশ বকাঝকা করলেন তিনি। একই জায়গায় কেন রোজ কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে বেশ চটলেন বিজেপি প্রার্থী (Dilip Ghosh got angry with party leaders)। ক্ষোভ প্রকাশ করে বললেন, “ ওদের মাথা কাজ করছে না। চাপ নিতে পারছে না”।
এদিন তিনি আরও বলেন, “জেলার তৈরি করা কর্মসূচিই ফলো করি আমি। কিন্তু কর্মীদের একমাস পরিশ্রম করতেই দম বেরিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন সামনে চলে আসছে। আমি চারিদিকে ঘুরে ঘুরে প্রচার করছি। কিন্তু একই জায়গায় বারবার কর্মসূচির তালিকা কে তৈরি করছে বুঝতে পারছি না” (Dilip Ghosh got angry with party leaders)।
দিলীপ ঘোষের কথায়, “কারা এভাবে কর্মসূচি সাজাচ্ছে, সেটি আমি এবার খতিয়ে দেখব”। এদিন বেশ ক্ষোভের সঙ্গেই মাঝপথেই প্রাতঃভ্রমন শেষ করে চা চক্রে যোগ দেন তিনি (Dilip Ghosh got angry with party leaders)। এই ঘটনায় বেশ শোরগোল পড়েছে রাজনৈতিক মহলে।
এক বিজেপি কর্মী এই বিষয়ে বলেন, “দিলীপ ঘোষ দীর্ঘ দিনের রাজনীতিক। তিনি রাজনীতিকে সবটুকু দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই ভোটের সময় কোথাও কোনও খামতি থাকলে সেই নিয়ে কথা বলার অধিকার তাঁর রয়েছে বৈকি”। অর্থাৎ দিলীপ ঘোষের এই ব্যবহারকে সমর্থনই করছেন তিনি (Dilip Ghosh got angry with party leaders)।
বলে রাখি, এলাকায় আবার এক কংগ্রেস নেতার মায়ের মৃত্যুর খবর পান দিলীপ ঘোষ। সেখানে গিয়ে নেতার পরিবারের পাশে দাঁড়ান তিনি। বিজেপি নেতার কথায়, তিনি বরাবর সৌজন্যের রাজনীতি করে এসেছেন। সকলের সুখ দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, “যখন খড়গপুরে থাকতাম তখনও এটা করে এসেছি। এটুকু না করলে সমাজে থেকে কি লাভ”।





