“আমরা বেশ চিন্তায় আছি। ভবানীপুরেই কেন ভোট হঠাৎ? তাহলে বাকী কেন্দ্রে কেন নয়”? ভবানীপুরে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করার পর এমনটাই প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ। শুধু তাই-ই নয়, বেশ জোর দিয়েই তিনি বলেন যে এই বিষয়ে কমিশনকে নিশ্চয় প্রভাবিত করা হয়েছে।
তিনি জানান যে এই বিষয় নিয়ে বিজেপির তরফে প্রশ্ন তোলা হবে। তবে কমিশনকে চিঠি দেওয়া হবে কী না, তা এখনও জানা যায়নি। দিলীবাবুর দাবী, উপনির্বাচন যখন হচ্ছেই তখন সব কেন্দ্রেই হওয়া উচিত। এর আগে রাজ্যে উপনির্বাচনের পরিস্থিতি নেই জানিয়ে কমিশনকে চিঠি দেয় বিজেপি।
উল্লেখ্য, আজ, শনিবার রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। বলা হয়েছে আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ভবানীপুর-সহ ভোট হবে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে। ভবানীপুরের সম্ভাব্য প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট গণনা হবে ৩রা অক্টোবর।
কমিশনের তরফে এই ঘোষণার পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমরা চিন্তায় আছি। হঠাৎ ভবানীপুরেই কেন ভোট হবে? তাহলে বাকি কেন্দ্রে কেন নয়”? এ দিন কমিশনের তরফে বলা হয় যে সাংবিধানিক প্রয়োজনীয়তার কারণে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রী বিধায়ক না হতে পারলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে।
এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সরকার চলছে, তাহলে সাংবিধানিক সংকট কেন তৈরি হবে? কী উদ্দেশে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল? এখনও জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হয়নি। যানবাহন ঠিক মতো চলছে না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা প্রশ্ন তুলতেই পারি। কমিশন অবশ্যই প্রভাবিত হয়েছে আমরা্ জানতে চাইব কেন এটা হয়েছে”।
এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “আমি কমিশনকে নিয়ে কিছু বলতে রাজি নই। ওনার ওপরে কথা বলা যায় না। সেটুকু আমাদের জানা আছে। আমি কী বলেছি জানা নেই। না জেনে কিছু বলব না”।
আরও পড়ুন- জামিন চাইতে যাওয়াই কাল, ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার তৃণমূল কর্মী
বিজেপির সঙ্গে একই সুরে সুর মিলিয়েছে সিপিএমও। সিপিএম নেতা রবীন দেব বলেন, “এমনটা আগে কখনও হয়নি”। তাঁর কথায়, ভবানীপুর নিয়ে যদি সাংবিধানিক সংকটে পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সেই একই যুক্তি খাটে খড়দা কেন্দ্রের জন্যও। সেখানকার বিধায়ক নির্বাচন হওয়ার পর মারা গিয়েছেন। তাই বাম নেতা মনে করেন, এই একই যুক্তিতে খড়দা কেন্দ্রেও নির্বাচন হওয়া উচিত।






