Dilip Ghosh react on SSC case: গতকাল, মঙ্গলবার সকলেই অপেক্ষায় ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জন্য। ২৫,৭৫৩ চাকরিহারাদের ভবিষ্যৎ আদৌ কী হতে চলেছে, তা নিয়ে সংশয় ছিল সকলের মধ্যেই। এসএসসি মামলায় ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার ও এসএসসি। এবার সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে মুখ খুললেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh react on SSC case)।
কলকাতা হাইকোর্টের মতো চাকরি বাতিলের পথে হাঁটে নি সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি বাতিলের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। আপাতত চাকরি বহাল রয়েছে ২৫,৭৫৩ জনের। তবে আগামী জুলাই মাসে রয়েছে পরবর্তী শুনানি। তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বেশ খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, এই রায়ে তিনি ‘মানসিকভাবে তৃপ্ত’। এবার এই ইস্যু নিয়ে মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh react on SSC case)।
আজ, বুধবার বর্ধমান শহরের তেঁতুলতলা বাজারে প্রাতঃভ্রমণ ও জনসংযোগ সারেন দিলীপ ঘোষ। সেখান থেকেই সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে তিনি বলেন (Dilip Ghosh react on SSC case), “এসএসসি বলে দিয়েছিল আমরা বাচবিচার করতে পারব না। রেকর্ড নাই। প্রধানমন্ত্রী যেই বললেন ন্যায্য চাকরি প্রার্থীদের পাশে দাঁড়াবো এবং প্রয়োজনে কোর্টে যাব। ঠিক তার দু’ঘন্টার মধ্যেই এসএসসি বলল আমরা সঠিক রেকর্ড জমা দেব। এটাও ঠিক নয় যে ডেটের পর ডেট পড়বে। সুপ্রিম কোর্ট নিশ্চয়ই দ্রুত বিচার করবে। এসএসসিকে দ্রুত সব রেকর্ড জমা দিতে বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এটার খুব তাড়াতাড়ি নিষ্পত্তি হবে বলে মনে হচ্ছে” (Dilip Ghosh react on SSC case)।
এদিন সন্দেশখালির স্টিং অপারেশন প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, “আমি আগেই বলেছি টাকা তোলার জন্য প্রচুর এজেন্ট নিয়োগ করা হয়েছিল। যত তদন্ত এগোবে তত ঘটনা সামনে আসবে। সন্দেশখালির স্টিং অপারেশন নিয়েও তদন্ত হবে। ওটা যে জাল সেটা প্রমাণিত হবে” ।
এদিকে আবার লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দু’দফার ভোটে শতাংশের অস্পষ্ট হিসাব নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন ইন্ডি জোটের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সেই প্রসঙ্গে দিলীপের বক্তব্য, “ওরা যেতেই পারে, যাবার অধিকার সবার আছে। এরা আগেও হয়েছে। ওদের লড়াইটা এখন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। বিজেপির বিরুদ্ধে নয়। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়েছে। কারণ ওরা বুঝেছে বিজেপি ৩৭০, এনডিএ জোট ৪০০ পাবে। তাই এবার ইভিএমের বিরুদ্ধে লড়াই হচ্ছে। লড়াই পাল্টে গিয়েছে। এখন লড়াই ময়দানে নেই, অফিসে লড়াই শুরু হয়েছে। হার নিশ্চিত জেনে মনোবল ভেঙ্গে গিয়েছে”।





