গতকাল, শুক্রবার ছিল সংবিধান দিবস। এদিন রাজ্যের বিধানসভায় একের পর এক যা যা ঘটনা ঘটেছে, তা রসদ জোগানোর জন্য যথেষ্ট। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে বিধানসভায় তাঁর কক্ষে সাক্ষাৎ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। যা নিয়ে বেশ চর্চা শুরু হয়। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
প্রসঙ্গত, গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তাঁর কক্ষে সাক্ষাতের জন্য যান শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, মনজ টিগ্গা, অশোক লাহিড়ী। এদিন মিনিট তিনেক মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ছিলেন তারা। একুশের নির্বাচনে তৃণমূল তৃতীয়বারের ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম বিধাসভায় মুখোমুখি হন মমতা-শুভেন্দু।
আজ, শনিবার নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে এসে এই ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “কারও সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকতেই পারে। বিধানসভা সৌজন্যের জায়গা। সাংবিধানিক ব্যবস্থা। সবাই বসে কথা বলে। আমার তো অন্যায় কিছু মনে হয়নি। আমি নিজেও বিরোধী দলের সঙ্গে সৌজন্য রেখেছি”।
বিধানসভায় মমতার পায়ে হাত দিয়ে এদিন প্রণামও করেছেন শুভেন্দু। এই নিয়ে নয়া সমীকরণের জল্পনাও শুরু হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতিতে। এই প্রসঙ্গে দিলীপের বক্তব্য, “ওদের পুরনো সম্পর্ক। অনেকে কালীঘাটে প্রণাম করে আসে। উনি ওখানে করেছেন। এটা পাবলিক ম্যাটার নয়, ব্যক্তিগত বিষয়”।
গতকাল, শুক্রবার ফের একবার কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়েও বিধানসভার অন্দরে সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “স্পিকারকে বলব, সর্বদলীয় প্রতিনিধিদল তৈরি করুন। সব দলের প্রতিনিধিরা থাকবে। তাঁরা দিল্লি গিয়ে মন্ত্রীদের কাছে বাংলার হয়ে দাবি করবে। প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দাবি করুক, সবাই মিলে উন্নয়নের কাজ করুন”।
তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন দিলীপ। তাঁর কথায়, “তবে উনি (মুখ্যমন্ত্রী) যে প্রস্তাব দিয়েছেন, চলুন যাই সবাই মিলে দিল্লি থেকে টাকা নিয়ে আসি, তাতে আমার আপত্তি আছে। আমরা টাকা নিয়ে আসব আর সেই টাকায় তিনি মজা করবেন, লোক পুষবেন, এটা হতে পারে না”।





