আজ, বুধবার রাজ্য পেল স্থায়ী রাজ্যপাল (Governor)। এদিন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে (CV Anand Bose)। এদিন নবান্নের তরফে রাজ্যপালকে রসগোল্লা পাঠানো হয়েছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কথায়, রাজ্য একজন বিদ্বান ও দূরদর্শী রাজ্যপাল পেয়েছে।
দিলীপের ঘোষের মতে, রাজ্যের উচিত উন্নয়নের কাজে রাজ্যপালের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো। সিভি আনন্দ বোস রাজ্যপাল হিসেবে শপথ গ্রহণের আগে দিলীপবাবু বলেন, “আমরা চাইব এরকম একজন বিদ্বান, দূরদর্শী মানুষকে আমরা রাজ্যপাল হিসাবে পেয়েছি, তার যোগ্যতা-অভিজ্ঞতা, সেটা যেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার কাজে লাগায়”।
গতকাল, মঙ্গলবার কলকাতায় আসেন বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। নবান্ন সূত্রে খবর, আজ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বাংলার গর্ব রসগোল্লা দিয়ে রাজ্যপালকে স্বাগত জানিয়েছে সরকার। এই বিষয়টি নিয়েই কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে রাজ্যের সম্পর্কের প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, এক্ষেত্রে মিষ্টি খাইয়ে সম্পর্ক শুরু হলেও, ভবিষ্যতে যেন রাজ্যপালের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো হয়।
দিলীপ ঘোষের কথায়, “মিষ্টি খাইয়ে কোনও লাভ নেই। তার থেকে বরং তাঁকে সঙ্গে নিয়ে, তাঁর পরামর্শ নিয়ে বাংলায় পরিবর্তন আনুক রাজ্য সরকার। সরকার যেন নিয়মনীতির মধ্যে চলে”।
তিনি বলেন, “জমানা পাল্টাতেই থাকে। এটাই গণতন্ত্র, এটাই রাজনীতি। পরিবর্তন হতেই থাকে কিন্তু পরিবর্তনটা যেন ভালোর দিকে হয়”।
বলে রাখা ভালো, রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক সংঘাতের ঘটনা কারোরই অজানা নয়। টুইট যুদ্ধ থেকে শুরু করে টুইটারে ব্লক, সবকিছুরই সাক্ষী থেকেছে রাজ্য। রাজ্যপালকে নানান সময় আক্রমণ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। আবার মমতা সরকারের সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন রাজ্যপালও। এবার নতুন রাজ্যপালের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমীকরণ কেমন হয়, এখন সেটাই দেখার।





