একুশের নির্বাচনের আগে শাসকদলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী নিজের দলের বিরুদ্ধে সুর চড়ান। বেশিরভাগেরই অভিযোগ ছিল, তারা নাই মানুষের জন্য চেয়েও কাজ করতে পারছেন ন। মানুষের সেবার তাগিদে ঝাঁকে ঝাঁকে নেতারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন।
কিন্তু নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর সেই সব নেতাদের মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছারও ভরাডুবি হয়েছে।। এই কারণে এবার দেখা যাচ্ছে ঠিক উল্টো স্রোত। এবার একে একে বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরছেন নানান নেতারা।
এমনকি, বিজেপির টিকিটে ভোটে জেতা নানান বিধায়করাও একে একে ফিরে যাচ্ছেন ঘাসফুলে। গতকাল, শনিবারই তৃণমূল মুখ্যসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে ফিরলেন কালিয়াগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক সৌমেন রায়। এই নিয়ে গত সপ্তাহে তিনজন বিজেপি বিধায়ক তৃণমূল ওয়াপসি করলেন। এবার এক দলবদলের প্রসঙ্গ নিয়ে বিস্ফোরক হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
আরও পড়ুন- ‘দুয়ারে টিকা’, দাম ৬০০ টাকা, অভিযুক্ত ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক
তাঁর কথায়, “দলবদল এখনকার রাজনীতিতে একটা ফ্যাশন হয়ে গিয়েছে। গরু, ছাগল তো নয় যে আটকে রাখব। গরু ছাগল হলে আটকে রাখতাম। কালিয়াগঞ্জর বিজেপি বিধায়ক সৌমেন রায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছে, তাতে বিজেপির কোনও ক্ষতি হবে না”। বিজেপির রাজ্য সভাপতির এমন মন্তব্যের কারণে রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমতো ঝড় উঠেছে।
তবে দিলীপ ঘোষ এখানেই থেমে থাকেননি। নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যুর ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে তলব করেছে সিবিআই। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন, “আমাদের দলে থাকলে কেস হবে, সিআইডি ডাকবে। যেমন মুকুল রায়কে ডেকেছিল। তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলানোর পর তাঁকে আর ডেকেছে? বিজেপিতে আছে তাই শুভেন্দুকে সিবিআই ডাকছে। মিথ্যা মামলায় বিজেপি নেতাদের হেনস্থা করতে চাইছে তৃণমূল”। এমনটাই অভিযোগ এনেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।





