‘কোনও জোটের দরকার পড়বে না, বিজেপি একাই তৃণমূলকে হারাতে পারে’, জোট গঠন নিয়ে সরব দিলীপ

সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এর আগে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে হার হয়েছে তৃণমূলের। আর এরপরই এই নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী দাবী করেন যে বিজেপির অনেকেই ভোট দিয়েছে কংগ্রেসে। আর এই নিয়ে সরব হয়েছে শাসক শিবির। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে কংগ্রেস ও বিজেপির আঁতাত নিয়ে মন্তব্য করেছেন। এবার এই নিয়ে পাল্টা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

জোট নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমাদের কোনও জোটের দরকার নেই। গতবার হিংসার মধ্যেও আমরা মনোনয়ন জমা দিতে গিয়েছিলাম। আমাদের পিছন পিছন সিপিএম-কংগ্রেস গিয়ে মনোনয়ন জমা করেছিল। বিজেপির একার ক্ষমতা আছে এখানে তৃণমূলকে হারানোর”।

এদিন রাজ্য সরকার ও তৃণমূলের দিকে ওঠা অভিযোগ নিয়েও মন্তব্য করেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন না। রাজ্য জুড়ে পানীয় জল, রাস্তা থেকে শুরু করে স্কুলে শিক্ষক, হাসপাতালে চিকিৎসক, থানায় পুলিশ নিয়োগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। মানুষের ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙছে। তাই তাঁরা রাস্তায় নামছেন। দিদির কথায় তৃণমূলের নেতারা সুরক্ষা কবচ দিতে যাচ্ছেন। জনরোষে পড়ছেন”।

এর কারণ হিসেবে দিলীপ মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, “মানুষের মনের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। তাঁরা বলতে পারতেন না। নেতারা আসতেন না শুনতে। এখন তাই দিদির দূতেদের পুলিশ নিয়ে যেতে হচ্ছে। যে বা যারা প্রতিবাদ করছে তাদের পেটানো হচ্ছে, যা আমরা টিভিতে দেখেছি। এই যে অসহিষ্ণুতা আর মানুষের প্রতি ব্যবহার এর যোগ্য জবাব পঞ্চায়েত থেকে শুরু হয়ে যাবে”।

এই বিষয়ে এগরার তৃণমূল বিধায়ক তরুণ মাইতি সাগরদিঘির উপনির্বাচনের কথাই স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “সাগরদিঘিতে ১০ শতাংশ বিজেপির ভোট ঘুরে গেল কংগ্রেসের দিকে। যদি তা না করত, যদি বিজেপি নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারত, তাহলে তৃণমূলই জিতত। তারা নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রা ভঙ্গ করতে চাইছে। তাই কংগ্রেস, সিপিএম-এর সাহায্য লাগবে না, এই কথা তাদের মুখে মানায় না”।

RELATED Articles