আগামীকাল, বুধবারই ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করা হবে বিজেপির তরফে। আজ একথা নিজেই জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি আজ এও জানান যে কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এবার প্রচারে ডাকা হবে না। ইতিমধ্যেই বুথ স্তর থেকে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।
এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “ডায়লগ দিয়ে বাজার গরম হতে পারে। আজকে ইডি খামচে দিয়েছে, তাই হয়তো রাগ হয়েছে। উনি নাকি যেখানে পা দেবেন সেখানে জিতিয়ে দেবেন। তা অসম, ত্রিপুরায় তো ঘাসফুল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বড় বড় কথা বলে লাভ নেই। সিপিএম তিনটে রাজ্যে ছিল। এখন গুটিয়ে কেরলে চলে গিয়েছে। এই ধরনের ডায়লগ ভোটের আগে বললে ভালো হয়। এখন আরও ভালো লাগে না”।
বামদলকে শানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “সিপিএমের মানিকবাবু তো বলেছিলেন, আমাদের ভোট দেবেন না ঠিক আছে। কিন্তু বিজেপিকে দেবেন না। লোকে তো সেটাই করেছে। তার পরিনামে আজকে ওই দুটো পার্টি উঠে গিয়েছে”।
ফের একবার রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে দিলীপবাবুর ম্নতব্য, “মামলা তো আমার নামেও হয়েছে। এই সরকার কোর্টে যখনই যাচ্ছে তখনই কানমলা দিচ্ছে। সরকার নৈতিকতার দিক থেকে হেরে যাচ্ছে। যে সরকার বারবার কোর্টে পরাজিত হয়, তখন সেই সরকারের প্রধানের উপর মানুষের সন্দেহ হয়। নন্দীগ্রামে ধুমধাম করে প্রচার করেছিলেন। তার পরিনাম উঁনি পেয়েছেন। বিজেপির জোরদার লড়াই করছে। নাম আগামীকাল ঘোষণা হবে। সাতদিন মাত্র প্রচার সময়। দল তৈরি আছে। বুথ থেকে এখনই তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে আমরা প্রচারের জন্য ডাকছি না”।
আরও পড়ুন- ‘তৃণমূল কংগ্রেসকে দুর্বল করবেন না’, আইপ্যাকের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ উগড়ে কড়া হুমকি কল্যাণের
উল্লেখ্য, আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ওইদিনই ভোট রয়েছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও। উপনির্বাচনের দিন ঘোষণার পরই তৃণমূলের তরফে ঘোষণা করা হয় যে ভবানীপুর থেকে প্রার্থী হবে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা একরকম অবশ্য সকলের জানাই ছিল। তবে বিজেপির তরফে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হবেন কে? এই নিয়ে চলছে জল্পনা। নানান প্রভাবশালী নেতাদের নাম উঠে এলেও চূড়ান্তভাবে কোনও নাম জানানো হয়নি। উঠে আসছে বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের। তিনি একুশের নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই দাঁড়িয়ে তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যান। শেষ পর্যন্ত বিজেপি কাকে ভবানীপুর কেন্দ্রে দাঁড় করায়, এখন সেটাই দেখার।





