Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee: শুরু হয়ে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচন। আর দু’দিন পরই রয়েছে দ্বিতীয় দফার ভোট। এমন আবহে সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মধ্যেই চলছে জোরকদমে ভোট প্রচার। প্রচারে বেরিয়ে একে অপরকে শানাতে বাদ রাখছেন না প্রার্থীরা। দিলীপ ঘোষও এর ব্যতিক্রম নন। প্রচারে বেরিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন তিনি (Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee)। কিন্তু কেন?
বর্ধমান-দুর্গাপুর থেকে বিজেপির হয়ে লড়ছেন দিলীপ ঘোষ। আজ, বুধবার শাঁখারিপুকুর এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে যান তিনি। সেখানেই তিনি দেখেন, বিজেপির বেশ কিছু দলীয় পতাকা রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে। তা দেখেই বেশ রেগে যান তিনি (Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee)। পতাকা মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে দেখেই তিনি ও অন্যান্য কর্মীরা তা তুলে নেন।
এই ঘটনা নিয়ে চা চক্রে বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশ তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee)। বলেন, “আমাদের কর্মসূচি থাকলে কর্মীরা পতাকা লাগায়। আজ এসে দেখি সেগুলো ডান্ডা ভেঙে পথের ধারে ফেলে দেওয়া হয়েছে। ড্রেনের ধার থেকে পাওয়া গেছে পতাকাগুলি। তৃণমূলের রাজনীতি আজ এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। এভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। চা চক্রের এমন ঠ্যালা ওরা চায়ের দোকান বন্ধ করে দিচ্ছে। ওদের হার নিশ্চিত। কিছু নেশাগ্রস্ত মানুষকে নিয়ে দল চালাচ্ছে। আর বিজেপির ঝান্ডা খুলছে”।
এদিন চা চক্রে বসে এসএসসি মামলায় হাইকোর্টের রায় নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee)। বলেন, “উনি চাকরি দেননি, চাকরি বিক্রি করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার রেশনে চাল দেয়, ডাল দেয়, গ্যাস দেয় উনি তা বিক্রি করে দেন। বাংলা খাও, জয় বাংলা বল, আর বিরোধীদের ঝান্ডা খোল, মমতা ব্যানার্জির এই কালচার” (Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee)।
এদিন তৃণমূল নেতাদের উদ্দেশ্য করে বিজেপি প্রার্থী (Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee) বলেন, “যে সমস্ত তৃণমূল নেতা টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছিলেন তাদের কলার ধরে টাকা ফেরত নেওয়া হবে। যাদের চাকরি গেছে তাঁরা একবার সামনে এসে বলুন, বিজেপি কর্মীরা বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে চৌরাস্তার মোড়ে দাঁড় করাবে”।
দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের (Dilip Ghosh slammed Mamata Banerjee) প্রেক্ষিতে তাঁকে আবার পাল্টা আক্রমণ শানান তৃণমূল মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস। তিনি বলেন, “সকাল হলেই দিলীপ ঘোষের কাজ হল তৃণমূলকে গালিগালাজ করা। এখন বাজার গরম করতে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে। হারার ভয়ে এসব নাটক করছে”।





