মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে আজ বাংলার আমফানে বিধ্বস্ত চেহারা সরোজমিনে দেখে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলার বিপর্যস্ত রূপ দেখে প্রাথমিক ভাবে এক হাজার কোটি টাকা অগ্রিম সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এবার কেন্দ্রের সেই টাকা সরাসরি দুর্গতদের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে চিঠি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
হেলিকপ্টারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে নিয়ে দুই ২৪ পরগনার বিপর্যস্ত এলাকা আজ ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বসিরহাট কলেজে বৈঠক করেন। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী জানান, শীঘ্রই কেন্দ্রীয় দল রাজ্যে এসে পরিস্থিতি বুঝে ক্ষয়ক্ষতির হিসেব করবে। এর পরে কেন্দ্র অর্থের ব্যবস্থা করবে। আপাতত কেন্দ্র এক হাজার কোটি টাকা অগ্রিম দিচ্ছে রাজ্যকে।
মোদী বাংলায় পা রাখতেই বঙ্গ বিজেপির কান্ডারী তাঁর কাছে বাবুল সুপ্রিয় এবং দেবশ্রী চৌধুরী, এই দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাত দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠান। চিঠিতে দিলীপ ঘোষ লিখেছেন, রাজ্যের হাতে টাকা না দিয়ে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে টাকা দেওয়া হোক। তা না হলে আর্থিক দুর্নীতি হবে। পরে সংবাদমাধ্যমকে দিলীপ ঘোষ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ত্রাণের টাকা ক্ষতিগ্রস্থদের কাছে সোজাসুজি টাকা দেওয়ার কথা বলেছি। কারণ আয়লা, বুলবুল, দু বছর আগের মালদহ – দিনাজপুরের বন্যার ক্ষতিপূরণ বন্টনে রাজ্য সরকার ব্যাপক দুর্নীতি করেছে।”
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবারই দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “আয়লার সময় উনি কেন্দ্রীয় সাহায্যের বিরোধিতা করেছিলেন। বলেছিলেন, সিপিএম টাকা মেরে দেবে। আর এখন নিজে ক্ষমতায় এসে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে টাকা চাইছেন। তৃণমূল তো আরও বেশি টাকা মারবে। আসলে এটাই ওঁর স্বভাব। নাটক করে গোটা জীবনটাই কাটিয়ে দিলেন।”





