কাল দুপুরেই রাজ্যে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এই ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে রাজ্যের ৭ জেলা। রাজ্য এই বিষয়ে যথেষ্ট তৎপরতা দেখালেও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর মন্তব্য রাজ্য ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ততো ‘সিরিয়াস’ নয়। অন্য কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায়ও বলেছেন বিজেপি প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে সব ধরণের সহযোগিতা করতে রাজি।
বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে তার বক্তব্যের নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমফানের সৃষ্টির শুরু থেকেই কেন্দ্রে রাজ্যকে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কেন্দ্রের তরফ থেকে জানতে চাওয়া হয়েছিল ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় রাজ্য কতটা তৈরি এবং ১৫ তারিখের মধ্যে তা জানাতে বলাও হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে কোনো সাড়া দেয়নি। এ থেকেই বোঝা যায় রাজ্য কতটা সিরিয়াস ছিল।’ এই প্রসঙ্গেই তিনি আরও বলেন, ‘বাধ্য হয়েই সোমবার কেন্দ্রীয় বৈঠকে বাংলার রেসিডেন্সিয়াল কমিশনারকে ডাকা হয়। তাতে অবশ্য দিদি রাগ করেছে। রাজ্যের জবাবের অপেক্ষায় না থেকেই কেন্দ্র ২১ টা বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে ইতিমধ্যেই বাংলা ও ওড়িশায় পাঠিয়েছে। অমিতজি নিজেও মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন।’
দিদির বক্তব্যকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘ আজ শুনলাম দিদি দাবি করেছেন,৩লক্ষ লোককে নিরাপদে সরানো হয়েছে। এখানেও কারচুপি। দিদির তো ১ লক্ষেরই জায়গা পায় না। সেখানে আবার ৩লক্ষের এমন দাবি কি করে করেছেন জানিনা।’
তিনি বলেন, ‘আমার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাজি এবং কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষজির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স হয়েছে। তাঁরা আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন এই দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। সেইমতো আমরা কন্ট্রোল রুম খুলছি এবং হেল্পলাইন 9727294294 নম্বর চালু করছি।
পাশাপাশি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায়ও নিজের বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ‘রাজ্যের এই সংকটের দিনে রাজনীতি করার সময় নয়। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে রাজ্য বিজেপি দুর্যোগ মোকাবিলায় সবরকম সাহায্য করবে। প্রশাসন সহযোগিতা চাইলেও আমরা তা করতে প্রস্তুত।’





