বাড়তি টাকা দিতে পারে নি, অসুস্থ শিশুকে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন চিকিৎসক, শিশুর বাবাকে মারধর, বিস্ফোরক অভিযোগ রাজ্যের নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে

Doctor Allegedly Threw Sick Child: বাড়তি টাকা দিলে তবেই হবে চিকিৎসা। কিন্তু সেই টাকা দিতে পারেন নি অসহায় বাবা। ফলে তাঁর অসুস্থ একরত্তি শিশুকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল (Doctor Allegedly Threw Sick Child)। রোগীর পরিবারের সদস্যদের মারধর করার অভিযোগও উঠেছে এক নার্সিং হোমের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের উকিলপাড়ার এক বেসরকারি নার্সিং হোমে। জানা গিয়েছে, ওই নার্সিং হোমেই নিজের চার বছরের শিশুর হাতের মাংসপিণ্ডের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন ইমারত আলি (Doctor Allegedly Threw Sick Child)। তিনি রায়গঞ্জের বিহার লাগোয়া বাহিন পঞ্চায়েতের গোয়াবাড়ির বাসিন্দা। সেখানে শল্য চিকিৎসককে দেখানোর জন্য প্রথমে ৪০০ টাকা জমা করে ছেলের নাম নথিভুক্ত করান ইমারত আলি।

কিন্তু চিকিৎসা হয় না। তাদের ডাকই আসে না। ছেলেকে নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন ইমারত, এমনটাই অভিযোগ। তাঁর দাবী, ওই চিকিৎসক অন্যান্য রোগীদের থেকে পাঁচশো বা হাজার টাকা বেশি আদায় করে তাদের আগে চিকিৎসা করিয়ে ছেড়ে দেন। ইমারত নার্সিং হোমে প্রশ্ন তোলেন, চিকিৎসক কেন এমন করছেন (Doctor Allegedly Threw Sick Child)!   

চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার চেষ্টাও করেন ইমারত আলি। কিন্তু অভিযোগ, তখন নার্সিং হোমের কর্মীরা ছেলে-সহ তাঁকে ধাক্কা দিয়ে নার্সিং হোম থেকে বের করে দেয়। এমনকি, তাঁর চার বছরের অসুস্থ শিশুকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ (Doctor Allegedly Threw Sick Child)। এই হামলায় ওই চার বছরের শিশু তো বটেই, জখম হয়েছেন শিশুর বাবা ও দাদুও।

ইমারত আলি জানান, “এদিন ভোর পাঁচটার সময় আমার চার বছরের শিশুর বাঁ হাতের মাংসপিন্ডের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসি। চিকিৎসককে দেখানোর জন্য ৪০০ টাকা অগ্রিম জমা দিই। ঘড়িতে বেলা দুটো বেজে গেলেও আমার চার বছর বছরের শিশুকে দেখেনি চিকিৎসক। আমার নাম পিছনে রেখে পিছনের রোগীদের নাম অতিরিক্ত টাকার বিনিময়ে সামনে এনে রোগী দেখছেন। প্রতিবাদ করতে গেলে ডাক্তারের কমপাউন্ডার আমাকে এবং আমার বাবাকে মারধর করে। জামা ছিঁড়ে, দেয়। আমার বাচ্চা যেখানে শুয়েছিল, সেখান থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেয় (Doctor Allegedly Threw Sick Child)। আমি চাই ওই চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি”।

এই ঘটনায় অভিযোগ জানানো হয়েছে রায়গঞ্জ থানায়। অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ (Doctor Allegedly Threw Sick Child)। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ওই শল্য চিকিৎসকের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

RELATED Articles