বাংলার প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনা নিয়ে বারবার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই প্রতিবাদে দিল্লি গিয়ে আন্দোলন করেছে ঘাসফুল শিবির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দফতরেও পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে যখন তৃণমূল জব কার্ড হোল্ডারদের টাকা আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বিরুদ্ধে, তখন আবার পাল্টা অভিযোগ তুলেছে বিজেপিও। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির।
এবার এই বঞ্চনার কথা জানানোর জন্য এক উপায় করল গেরুয়া শিবির। আজ, বুধবার ধর্মতলায় মেগা সভা রয়েছে বিজেপির। এই সভায় থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই সভামঞ্চের পাশেই করা হয়েছে বঞ্চনা ভাণ্ডার। সেখানে রাখা রয়েছে ড্রপ বাক্স। সেখানেই নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারেন সাধারণ মানুষ।
জানা গিয়েছে, সেগুলি কোনও সাধারণ বাক্স নয়, রাজ্যের বঞ্চিত মানুষরা নিজেদের যাবতীয় বঞ্চনা, নালিশ, অভাব-অভিযোগ জানানোর জায়গা। চিঠিতে সব লিখে সেই বাক্সে ফেলে দিতে পারবেন মানুষ। লোকসভা ভোটের আগে বাংলার মানুষের ক্ষোভের কথা জানতে, এবং জনসংযোগ বাড়াতেই এই নয়া উদ্যোগ। অন্য কোনও দুলের সদস্য বা অরাজনৈতিক ব্যক্তিরাও এই ড্রপ বাক্সে নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন।
এদিনের এই সভায় মূল বিষয় হল কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চনা ও শাসক দলের নানান দুর্নীতি। শিক্ষাক্ষেত্র থেকে শুরু করে কয়লা, গরু, রেশন নানান দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের এদিনের সভায় এসব কিছুই তুলে ধরতে চায় গেরুয়া শিবির। জানাস গিয়েছে, এই ড্রপ বাক্সগুলি আপাতত এই সভামঞ্চের কাছে রাখা হলেও পরবর্তীতে রাজ্যজুড়ে নানান জায়গাতেই পৌঁছে যাবে এই ড্রপ বাক্স যাতে সমস্ত মানুষ নিজেদের অভিযোগের কথা জানাতে পারেন বিজেপিকে।
প্রসঙ্গত, একদিকে যখন বিজেপি ধর্মতলায় হাইভোল্টেজ সভা করবে, তখন বিধানসভায় এক দিনটিকে কালো দিবস হিসেবে পালন করবে তৃণমূল। শীতকালীন অধিবেশনে কেন্দ্রের বঞ্চনাকেই হাতিয়ার করে প্রতিবাদ জানাবেন তৃণমূল বিধায়করা। জানা গিয়েছে, এদিন তৃণমূল নেতারা কালো জামা পরে বিধানসভায় উপস্থিত হবেন।





