বড় বিপাকে ‘বাঘ’! সাতসকালে ফের সন্দেশখালিতে ইডির হানা, ঘেরাও শাহজাহানের সাগরেদদের, তল্লাশি তাঁর মাছের বাজার ও ইটভাটায়

সকাল সকাল ফের অ্যাকশন মোডে ইডি। সন্দেশখালিতে ফের হানা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। আজ, বৃহস্পতিবার ধৃত শেখ শাহজাহানের মাছের বাজার ও ইটভাটাতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। তল্লাশি চলছে শাহজাহানের তিন সাগরেদের বাড়িতেও।

জানা গিয়েছে, আজ, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ সন্দেশখালি যায় ইডির দুটি দল। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত শাহজাহানের বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত এক মামলায় তদন্ত করছে ইডি। এদিন ধামাখালির কাছে এক মাছের পাইকারি বাজারে তল্লাশি করে ইডি।   

তল্লাশি চলছে শাহজাহানের ইটভাটাতেও। ইডির অনুমান, এই মাছের পাইকারি ব্যবসা, ইটভাটা এসবের আড়ালেই রেশন দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া চালাতেন শাহজাহান। কিছুদিন আগেই শাহজাহানের বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত ব্যবসায় অনিয়মের অভিযোগ দায়ের হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া-সহ মোট ৬ জায়গায় ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়েছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সন্দেশখালিতে তিনজনের বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। এরা হলেন রিন্টু মোল্লা, আইনুর মোল্লা ও জামালউদ্দিন মোল্লা। জানা গিয়েছে, আইনুর ও জামালউদ্দিন মোল্লা সম্পর্কে দু’জন ভাই। আর রিন্টু শেখ শাহজাহানের মাছের ব্যবসার ম্যানেজারের শ্যালক। জানা গিয়েছে, আইনুর ও জামালউদ্দিন মোল্লার সঙ্গে শেখ শাহজাহানের সম্পর্ক যথেষ্ঠ ঘনিষ্ঠ ছিল।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়ি তল্লাশিতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন ইডি আধিকারিকরা। সেই ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন শাহজাহান। এরপর ফেব্রুয়ারিতে শাহজাহান ও তাঁর সাগরেদদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান সন্দেশখালির মহিলারা। অবশেষে ৫৫ দিন পর গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে। আদালতের নির্দেশে তাঁকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় সিআইডি। গত সোমবারই শাহজাহানের তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। আজকের এই তল্লাশিতে আরও বড় কোনও প্রমাণ মেলে কী না, সেটাই দেখার।   

RELATED Articles