অতি সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে রাজ্যের ৮ আইপিএস অফিসারকে তলব করল ইডি

আজ, বৃহস্পতিবার সকালেই গরু পাচারকাণ্ডে বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mandal) গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। আর এরই মধ্যে ফের সক্রিয় হল আরও এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার রাজ্যের ৮ জন আইপিএস অফিসারকে (IPS Officers)  কয়লা পাচার কাণ্ডের (coal smuggling case) জেরে তলব করল ইডি (Enforcement Directorate)। জানা গিয়েছে, ১৫ই আগস্টের পর তাদের দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এই অফিসারদের মধ্যে রয়েছেন রাজীব মিশ্র, সুকেশ জৈন, জ্ঞানবন্ত সিং-য়ের মতো আধিকারিকরা।

এদিকে, অনুব্রতকে গ্রেফতারের জেরে সরব হয়েছে তৃণমূলের একাংশ। শাসক দলের একাংশের অভিযোগ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্যই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করছে বিজেপি। তবে এই নিয়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা যদিও এখনও মুখ খোলেন নি।

বলে রাখি, কয়লা পাচারকাণ্ডে এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হাজিরা দিয়ে বেরিয়ে আসার পর বলেছিলেন, “যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে কারও এক টাকাও নিয়েছি সেক্ষেত্রে আমি মৃত্যুবরণ করব”।

আবার গত জুন মাসে কয়লাপাচারকাণ্ডে তলব করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি শিশুসন্তানকে কোলে নিয়েই হাজির হয়েছিলেন ইডি-র দফতরে। দীর্ঘক্ষণ জেরা করা হয় রুজিরাকে। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল বলেও খবর ইডি সূত্রে। আর এহেন পরিস্থিতিতে এবার ৮ আইপিএস অফিসারদের ইডি-র তলব যে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য।

উল্লেখ্য, বলে রাখি, গতকাল, বুধবার দশমবার অনুব্রতকে গরু পাচার মামলায় তলব করেছিল সিবিআই। কিন্তু সেই হাজিরাও এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এর জেরে আজ, বৃহস্পতিবার সকালেই অনুব্রতর বোলপুরের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। চলে তল্লাশি। এদিনও অনুব্রত তদন্তকারী আধিকারিকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এরপরই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূল নেতাকে। গরু পাচার কাণ্ডের চার্জশিটে অনুব্রতর নাম উল্লেখ রয়েছে বলে জানান সিবিআই আধিকারিকরা।

RELATED Articles