বেআইনি বিএড কলেজগুলিকে অনুমোদন দেওয়ার জন্য মোটা টাকা নিতেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। গত বুধবার মানিকের বিরুদ্ধে পেশ করা চার্জশিটে ইডি (Enforcement Directorate) উল্লেখ করেছে যে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mandal) জানিয়েছেন প্রত্যেক বিএড কলেজের জন্য পার্থ নিতেন ৬-৮ লক্ষ টাকা আর মানিক তুলতেন ২-৫ লক্ষ টাকা।
ইডি সূত্রে খবর অনুযায়ী, জেরায় তাপস মণ্ডল জানান যে তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত NCTE-র সদস্য ছিলেন। বিএড ও ডিএলএড কলেজের এই NCTE-র অনুমোদন বাধ্যতামূলক। আর এই অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে গেলে প্রয়োজন হয় শিক্ষা দফতরের NOC।
তাপস মণ্ডলের কথায়, সেই NOC-র জন্য বিএড ও ডিএলএড কলেজগুলির থেকে মোটা টাকা নিতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্য। ইডি আগেই জানিয়েছে যে এর মোট পরিমাণ ২০ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে প্রথম চার্জশিট পেশ করেছে ইডি। এই চার্জশিটে নাম রয়েছে মানিকের স্ত্রী ও ছেলে শৌভিকেরও। তদন্তকারীরা চার্জশিটে উল্লেখ করেছেন যে কীভাবে মানিক ভট্টাচার্য টাকা নয়ছয় করেছেন। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, তাপস মণ্ডল সব বলে দেওয়ার পর থেকে মানিকও তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেছেন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার