পুজোর মণ্ডপের কাছ থেকেই উদ্ধার হয়েছিল ছাত্রীর বিবস্ত্র দেহ। মুখ পোড়ানো হয়েছিল তাঁর। সকালে উদ্ধার হওয়া সেই ছাত্রীর পরিচয় জানতে পারল এবার পুলিশ। এই ঘটনায় মৃত ছাত্রীর পরিবারের দাবী, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে ছাত্রীর হবু বরকে।
আজ, বুধবার সকালে কৃষ্ণনগরে উদ্ধার হয় এক তরুণীর বিবস্ত্র দেহ। জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগরের আনন্দময়তলা বালকেশ্বরী মন্দির লাগোয়া এলাকার বাসিন্দা সেই তরুণী। তাঁর পরিবার সূত্রে খবর, গতকাল, মঙ্গলবার সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ ওই তরুণী তাঁর হবু বরের সঙ্গে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু রাত বাড়লেও আর ফেরেন নি তিনি।
তাঁর পরিবার রাতভর তাঁর খোঁজখবর করে। এরপর বুধবার সকালে কৃষ্ণনগরের পুলিশ সুপারের অফিস থেকে ৫০০ মিটার দূরে উদ্ধার হয় ওই তরুণী দেহ। বিবস্ত্র অবস্থায় উদ্ধার হয় তরুণী দেহ। তরুণী পরিবারের দাবী, এই ঘটনায় তাঁর হবু বর যুক্ত রয়েছে। আর প্রমাণ লোপাট করার জন্য তরুণী মুখে অ্যাসিড ঢেলে বা আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
মৃতার মা জানান, “সাড়ে সাতটা নাগাদ ছেলেটার সঙ্গে পিৎজা খেতে বেরিয়েছিল। বাড়িতে আমায় জানিয়ে গিয়েছিল। তারপর আর ফোন করেনি। আমি ছেলেটাকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করি। তখন একবার বলছে ও নাকি ঘুমোচ্ছে। একবার আমায় গালিগালাজ করছে। সারারাত আমার বাবা আমার গোটা পরিবার ওকে খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু মেয়েকে কোথাও পাইনি। আমি জোর করে ছেলেটাকে থানায় নিয়ে এসেছি”।
তিনি আরও বলেন, “প্রথমে সম্পর্ক নিয়ে বিবাদ থাকলেও পরে মিটিয়ে নিয়েছিলাম। ওদের রেজিস্ট্রি হওয়ার কথা ছিল। পুজোর সময় থেকেই মেয়ে বেরচ্ছিল ওই ছেলেটার সঙ্গে”। ওই যুবককে আটক করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ ‘আর জি করে পর্ণ চক্রের মূল পাণ্ডা আন্দোলনের প্রধান মুখ’, সুবর্ণ গোস্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ দেবাংশুর, পাল্টা জবাব চিকিৎসকের
তরুণীর এক আত্মীয় বলেন, “আমার মনে হচ্ছে ওকে মেরে দেওয়া হয়েছে। ও সব সময় বলত পুলিশে চাকরি করব। জীবনে মরব না। লড়াই করে বাঁচব। এখন ফোনে মেসেজ আসছে ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়’। আমাদের অনুমান ওর ফোন তো কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল। ওকে মারার পর সেই ফোন থেকে কেউ এই সব করছে”।





