ফের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড কলকাতা শহরে। সপ্তাহের শুরুর দিনই ঘটে গেল বড় দুর্ঘটনা। গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে আগুন লাগে এক বস্তির ঘরে। সেই আগুনই ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। পুড়ে ছাই বস্তির একাধিক ঘর। অগ্নিদগ্ধ এক যুবক।
ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের এক বস্তিতে। জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার সকাল সাড়ে ৫টা নাগাদ আগুন লেগে যায় ওই বস্তির একটি ঘরে। খবর পেয়ে ছুটে আসে দমকল বাহিনী। কিন্তু এর আগেই দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় আশেপাশের ঘরেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে খবর।
জানা গিয়েছে, ওই বস্তির এক ফুড ডেলিভারি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীর বাড়িতে লাগে আগুন। সকালে তাঁর মা যখন রান্না করছিলেন, সেই সময় গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। গলির মধ্যে ঘিঞ্জি এলাকা, ফলে আগুন আশেপাশের ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে। ওই মহিলা সেখান টেকে বেরিয়ে আসতে পারলেও তাঁর ছেলে দোতলায় থাকায় বেরোতে পারে নি। অগ্নিদগ্ধ অবস্থাতেই উপর থেকে ঝাঁপ দেন তিনি।
দমকলের ৫টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত যুবককে বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে ৬-৭টি বাড়ি আগুনে পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে।
তবে এই ঘটনায় দমকল ও পুলিশের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, দমকলকে বারবার ফোন করা হচ্ছিল। প্রায় ১০ বার ফোন করার পর এক ঘণ্টা বাদে এসে পৌঁছয় দমকল বাহিনী। দমকল আরও আগে এলে আগুন এতটা ছড়িয়ে পড়ত না বলে দাবী স্থানীয়দের।
আরও পড়ুনঃ সকাল সকাল সমাজমাধ্যমে বিভ্রাট! ফেসবুক থেকে উড়ে গেল একাধিক পেজ, হইচই নেটিজেনদের মধ্যে
পুলিশের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ, তারা প্রথমে গল্ফগ্রিন থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে পুলিশ আসেনি আর দমকলেও খবর দেয়নি। এরপর তারা লেক থানায় খবর দিলে সেখান থেকে আসে পুলিশ।





