মুখ ফসকে তো বলে ফেলেছেন কথাটা, এবার তো আর কথা ফিরিয়ে নেওয়া যায় না বা তিনি একথা বলেননি, তাও বলা যায় না কারণ তাঁর মন্তব্যের যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। তা এবার অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগের মন্তব্যের উল্টো সাফাই দিলেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর দাবী, ‘তৃণমূলে গণতন্ত্র রয়েছে, তাও একথা বলতে পেরেছি”। এরই সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে বিজেপির প্রচারে নামার ঘটনাকেও সমালোচনা করেছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ফিরহাদ লেখেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এমন একটা দল যেখানে সাধারণ কর্মীরও কথার গুরুত্ব দেওয়া হয়। আমি যা বলেছি, তা দলের বিশুদ্ধতাকে প্রমাণ করে। তাছাড়া এটা আমার নেত্রীর স্বভাববিরোধী পদক্ষেপ”। এরপর বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “সেখানে তো সর্বোচ্চ নেতার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সুযোগ পায় না”। তিনি এও বলেন যে, তিনি ‘ব্যাকমেল’ শব্দটি উচ্চারণ করেননি।
আরও পড়ুন- প্রচারে বেরিয়ে বিপত্তি, যশকে কাছে পেয়েই জড়িয়ে ধরে চুম্বনে ভরিয়ে দিলেন মহিলা অনুরাগী, তারপর?
গত মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভার ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে বন্দর এলাকায় এক দলীয় কর্মীসভায় ফিরহাদ হাকিম বলেন যে অনুব্রত মণ্ডল ব্ল্যাকমেল করায় নলহাটির বিধায়ক মইনুদ্দিন শামসকে টিকিট দিতে পারেন নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এও বলেন যে কোনও নেতা এসব কথা বলবে না, তিনি ‘হাঁদা’, তাই বলেছেন। তাঁর এই বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ও এই কথাকে নিয়ে শুরু হয় আলোচনা। এর জেরে অস্বস্তির মুখে পড়ে শাসকদল।
তবে এটাই প্রথম নয় যখন ফিরহাদ হাকিম ঘরোয়া আলোচনায় বেফাঁস কথাবার্তা বলেছেন। এর আগেও এমন হয়েছে যার জেরে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে তাঁর দলকে। কলকাতায় সফররত পাকিস্তানের ‘ডন’ সংবাদপত্রের সাংবাদিককে তিনি বলেছিলেন, “চলুন আপনাকে দেখিয়ে আনি কলকাতাকে কেন আমরা মিনি পাকিস্তান বানিয়েছি”। এই কথা নিয়ে ফিরহাদকে এখনও কটাক্ষ করা হয়।





