দীর্ঘ ৪২ দিন ধরে জেলবন্দি ছিলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Nawshad Siddiqui)। এই তিনদিন আগেই ছাড়া পেয়েছেন তিনি। এই নিয়ে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের (State Government) উপর ক্ষোভ উগড়ে দেন ভাঙড়ের বিধায়ক। এরই মধ্যে এবার বদল ঘটল ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন পর্ষদে (Furfura Sharif Development Board)। আনা হল নতুন চেয়ারম্যান।
এতদিন পর্যন্ত ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তবে এবার তাঁর বদলে ফুরফুরা শরিফের নতুন চেয়ারম্যান করা হল সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্তকে। এমন নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
সাগরদিঘি উপনির্বাচনে তৃণমূলের হারের পর দলকে সাবধানী বার্তা দিয়েছিলেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি। তাঁর মতে, সংখ্যালঘু এলাকায় সংখ্যালঘু প্রার্থী দেওয়া উচিত ছিল। এমনকি, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও তৃণমূল সাবধান যদি না হয়, তাহলে গোটা বাংলার অবস্থা সাগরদিঘির মতো হবে বলেই দাবী করেছিলেন তিনি। এসবের মধ্যেই এবার হল ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান।
তবে নতুন চেয়ারম্যান তপন দাশগুপ্তের দাবী, এই চেয়ারম্যান বদলের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই। একাধিক ব্যস্ততার কারণেই ফিরহাদ হাকিম এই পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তপন দাশগুপ্ত জানান, কিছুদিন আগেই ফিরহাদ তাঁকে ফোন করে জানান যে এবার তাঁকে ফুরফুরা শরিফের উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান করা হচ্ছে। এবার সব দায়িত্ব তাঁকে বুঝে নিতে হবে।
এরপর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, আজ, বুধবারই সপ্তগ্রামের বিধায়ক ফুরফুরা শরিফে গিয়ে পীরজাদাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। সেখানে আরও কীভাবে উন্নয়ন করা যায়, তা নিয়ে কথা বলবেন। এরপর তা মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন তিনি। এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে ওয়াকিবহাল মহলের মত, ত্বহা সিদ্দিকির সাবধানবাণীর পর তৃণমূল আরও সতর্ক হয়েছে। সাগরদিঘির হারের পর সংখ্যালঘু উন্নয়নে আরও জোর দেওয়া হচ্ছে।





