‘এক দেশ এক দল’ বলে চেঁচান কেন্দ্রের টিকার দাম কেন‌ও ভিন্ন? প্রতিষেধককে ঘিরে মমতার নিশানায় মোদী

গতকালই সেরাম ইনস্টিটিউটের তরফে করোনা প্রতিষেধক-এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে এবার থেকে দেশের প্রত্যেকটি রাজ্য উক্ত প্রতিষ্ঠানটি থেকে সরাসরি প্রতিষেধক সংগ্রহ করতে পারবে। সেক্ষেত্রে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সরকারি হাসপাতাল গুলির জন্য ৪০০ টাকা,ও বেসরকারী হাসপাতালের জন্য ৬০০ টাকা। আর সেই একই টিকা কেন্দ্র পাবে ১৫০ টাকায় l

আর এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার বিজেপি শাসিত কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য এবং কেন্দ্র দুই ক্ষেত্রে প্রতিষেধক কেনায় দামের এতটা পার্থক্য কেন‌ও? প্রশ্ন করলেন তিনি!

দেশজুড়ে করোনা টিকার একটাই দাম নির্ধারণ করার দাবি তুললেন তিনি।

 আজ সকালে ট্যুইট করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সেখানে কেন্দ্রকে আক্রমণ করে লেখেন, ‘এক দেশ, এক দল, এক নেতার পক্ষে সবসময় চিৎকার করে বিজেপি। তাহলে করোনার ভ্যাকসিনের একটাই দাম দেশজুড়ে কেন করছে না? দেশের মানুষের বিনা পয়সায় করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োজন। ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাই সেটাই দাবি করছে। দেশজুড়ে  ভ্যাকসিনের একটাই দাম নির্ধারণ করা দরকার। সে দাম কেন্দ্র বা রাজ্য যেই নির্ধারণ করুক না কেনও।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত বছর থেকে এই বছরের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি মিললেও মার্চের শেষ থেকেই দেশে ফের বাড়তে শুরু করে করোনার গ্রাফ। 

ভোটের আবহে বাংলায় এপ্রিল মাসের প্রথম থেকেই সংক্রমণ হু হু করে বাড়তে থাকে। কিন্তু, সংক্রমণ বাড়লেও কেন্দ্রের কাছ থেকে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন রাজ্য পায়নি বলে অভিযোগ করেন মমতা। রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ার পিছনে কেন্দ্রকেই দায়ী করেন তিনি। বিভিন্ন সভা থেকে তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থেকে কেন্দ্রের কাছে আমরা ভ্যাকসিন, মেডিসিন চেয়েছি। অথচ মোদীর সরকার তাতে কর্ণপাত করেনি। এখন সংক্রমণ বাড়ছে। অথচ রাজ্যকে কেন্দ্রের দিকে চেয়ে থাকতে হচ্ছে।’ এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠিও দেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ, কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, ১ মে থেকে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। পাশাপাশি ৫০ শতাংশ প্রতিষেধক রাজ্য সরকার এবং খোলা বাজারে বিক্রি করা যাবে। খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের দাম কত হবে তা নিয়ে কোনও তথ্য পাওযা যায়নি। 

আরও অন্যান্য খবর